Main Menu
শিরোনাম

জামিন পেলেন ডা. সাবরিনা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা শারমিন জামিন পেয়েছেন।

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ জামিন আদেশ দেন।

বাড্ডা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মাঝহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র থাকায় গত ২২ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলো।

তবে জামিন পেলেও কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবরিনাকে। কারণ, করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে অন্য মামলায় তিনি জামিন পাননি।

ডা. সাবরিনার আইনজীবী প্রণব কান্তি ভৌমিক জানান, নির্বাচন কমিশনের মামলায় বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিনের আদেশ দেন। তবে করোনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগের মামলাটিতে জামিন না পাওয়ায় আপাতত কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।

গত ৩০ আগস্ট বাড্ডা থানায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া।

উল্লেখ্য, তথ্য জালিয়াতি করে দুই এলাকায় ভোটার এবং দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়েছেন ডা. সাবরিনা চৌধুরী। দুটি এনআইডিতে তিনি ভিন্ন তথ্য ব্যবহার করেছেন এবং দুটি এনআইডিই সচল। একটিতে তার জন্ম তারিখ ২ ডিসেম্বর ১৯৭৮, অপরটিতে ২ ডিসেম্বর ১৯৮৩। দুটি এনআইডিতে স্বামীর নামও ভিন্ন। পরে তার দুটি পরিচয়পত্রই অকার্যকর করা হয়েছে।

চলতি বছরের ৩০ আগস্ট এনআইডি প্রতারণার অভিযোগে ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মমিন মিয়া। গত ৩ সেপ্টেম্বর আদালত ডা. সাবরিনার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারেই আছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরিনা শারমিন হোসেন নাম। একটিতে জন্ম তারিখ দেয়া হয় ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয় আর এইচ হক আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয় আরিফুল চৌধুরী।

এদিকে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা নিয়ে রিপোর্ট জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা ও প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান রয়েছে।

গত ২৩ জুন করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ এনে তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। মামলায় পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। যার মধ্যে একাধিক ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

সরকারি অনুমতি নিয়ে নমুনা সংগ্রহের নামে সাধারণ মানুষের কাছে করোনার নেগেটিভ-পজিটিভ জাল সনদ বিক্রি করে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের এই মামলায় ডা. সাবরিনা ও আরিফুল হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

0Shares





Related News

Comments are Closed