Main Menu
শিরোনাম
কমলগঞ্জে ৫দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা সমাপ্ত         সিলেটে একদিনে আরো ৩৭ জন শনাক্ত, মৃত্যৃ ১         বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কে অপরিকল্পিত খোড়াখুড়ি         বিশ্বনাথে সড়কের বেশিরভাগ অংশ নদী গর্ভে বিলীন         সিলেট জেলা ছাত্রদল নেতা আতাউর আটক         সিলেটে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         সিলেটে একদিনে করোনায় আক্রান্ত ২৬, সুস্থ ৫৩         সিলেটে একদিনে করোনা রোগী শনাক্ত ৪২ জন         শাবির ল্যাবে ১৭ জনের করোনা শনাক্ত         সিলেটে একদিনে নতুন শনাক্ত ২৪ জন, সুস্থ ৪১         কমলগঞ্জে হামলায় সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য আহত         জামালগঞ্জ উপজেলায় নৌকার প্রার্থী ইকবাল বিজয়ী        

৪দিন পর রায়হানের বাড়িতে পুলিশ কমিশনার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ‌’নির্যাতনে’ গত রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে মারা যান রায়হান আহমদ (৩৪)। রায়হান হত্যার বিচার দাবিতে ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠেছে সিলেট। রায়হানেরর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদেরও সান্তনা দিচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

তবে চার দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর রায়হানের বাড়িতে গেলেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার। এতোদিন এই ঘটনায় নীরব থাকলেও বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নগরের আখালিয়া এলাকায় রায়হানের বাড়িতে যান এসএমপি কমিশনার গোলাম কিবরিয়া। যদিও এরআগেই পালিয়ে গেছেন রায়হান হত্যার প্রধান অভিযুক্ত বন্দরবাজার ফাঁড়ির বহিস্কৃত এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়হান আহমদের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দেন পুলিশ কমিশনার। এসময় পরিবারের সদস্যরা পুলিশ কমিশনারের কাছে ন্যায় বিচারের দাবি জানান।

এসময় গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া বলেন, এসআই আকবর যাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারে এ জন্য সকল সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আকবর ছাড়া রায়হান হত্যার ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত ও প্রত্যাহার হওয়া সকল পুলিশ সদস্য আমাদের কাছে রয়েছে। পিবিআই চাইলে যে কোনো সময় এদেরকে তাদের হাতে তুলে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এই মামলায় আমরা পিবিআইকে সব ধরণের সহযোগিতা করছি। ন্যায় বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে আমরাও কাজ করছি।

উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর (রোববার) ভোরে রায়হান আহমদ (৩৪) নামে সিলেট নগরের আখালিয়ার এক যুবক নিহত হন। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে প্রচার করা হয়, ছিনতাইয়ের দায়ে নগরের কাষ্টঘর এলাকায় গণপিটুনিতে নিহত হন রায়হান। তবে বিকেলে পরিবারের বক্তব্য পাওয়ার পর ঘটনা মোড় নিতে থাকে অন্যদিকে। পরিবার দাবি করে, সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে প্রাণ হারান রায়হান।

ওই রাতেই পুলিশকে অভিযুক্ত করে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় হেফাজতে মৃত্যু আইনে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। পরদিন সোমবার রায়হানের মৃত্যুর ঘটনায় সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর) শাহরিয়ার আল মামুনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সিলেট মহানগর পুলিশ।

তদন্তে নেমে পুলিশ হেফাজতে রায়হান উদ্দিনের মৃত্যু ও নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতাও পায় তদন্ত কমিটি। এঘটনায় আকবরসহ ৪ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৩ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে তদন্ত কমিটি।

0Shares





Related News

Comments are Closed