Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে দুই ল্যাবে আরো ৮৫ জনের করোনা শনাক্ত         সুনামগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত ব্যবসায়ীর মৃত্যু         শাবির ল্যাবে আরও ৪৬ জনের করোনা শনাক্ত         নবীগঞ্জে দুলাভাই-শ্যালিকার পরকীয়ার বলী হলেন মা         শায়েস্তাগঞ্জে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত ১         জাফলংয়ে আসা পর্যটকদের ফিরিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন         বিশ্বনাথে দুই ছেলের হামলায় পিতা আহত         ধর্মপাশায় নৌকা ডুবে মা-ছেলেসহ ৩জনের মৃত্যু         ছাতকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু         দলই চা বাগান খুলে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন         পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং ও ভুতুড়ে বিল বন্ধের দাবি         গোয়াইনঘাটে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আটক ৭        

ক্রেতা নেই, কানাইঘাটে পুঁতে ফেলা হলো চামড়া

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কানাইঘাটে পশুর চামড়ার ক্রেতা না থাকায় কোরবানি দাতারা মাটিতে চামড়া পুঁতে রেখে দিচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনভর চামড়ার ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করেও ক্রেতা না মেলায় চামড়াগুলো পুঁতে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক কোরবানি দাতা।

কোরবানি দাতারা বলছেন, দিনভর কোরবানির চামড়া নিয়ে অপেক্ষা করলেও ক্রেতারা আসছেন না। আবার অন্যান্য বছর স্থানীয় মাদ্রাসা কিংবা এতিমখানা চামড়া নিলেও এবার তারাও নিচ্ছেন না পশুর চামড়া। আর নিজেদের সংরক্ষণের জায়গা না থাকায় চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে দিতে হচ্ছে।

জানা যায়, কানাইঘাট উপজেলায় প্রতি বছরের ন্যায় শনিবার ঈদুল আজহার দিন শত শত পশু কোরবানি হলেও দিনভর অপেক্ষা করার পর কোন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চামড়া সংগ্রহ বা কোন ক্রেতা চামড়া ক্রয় করতে আসেনি। যার কারণে যারা কোরবানি দিয়েছেন তাদের গরু-ছাগল, মহিষের চামড়া দিন শেষে বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

যারা কোরবানি দিয়েছেন তারা আক্ষেপ করে বলেছেন, চামড়া হচ্ছে রপ্তানি যোগ্য একটি শিল্প পণ্য। গত কয়েক বছর থেকে চামড়ার দাম কমে গেলেও অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এলাকাভিত্তিক কোরবানির চামড়া বিনা টাকায় সংগ্রহ করতেন। কিন্তু এবারের ঈদুল আযহার দিনে কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কেউ চামড়া বিনা টাকায় সংগ্রহ করতে দেখা যায়নি। যার কারণে হাজার হাজার গরু ও অন্যান্য পশুর চামড়া শেষ পর্যন্ত পুতে ফেলতে হয়।

গত বছর বিভিন্ন এলাকায় অনেক চামড়া ব্যবসায়ীরা এক প্রকার পানির দামে চামড়া ক্রয় করলেও এ বছর উপজেলার কোথাও কোন চামড়া ব্যবসায়ীদের দেখা যায়নি। যার কারণে রপ্তানিযোগ্য অনেক মূল্যবান পশুর চামড়া কেউ কিনতে না আসায় লক্ষ লক্ষ টাকার চামড়া পুতে ফেলা হয়।

আর মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্যান্যবছর এলাকাভিত্তিক চামড়া কিনে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেও লাভ হয়নি। উলটো পরিবহন, লবণ কেনাসহ নানাখাতে বিপুল পরিমাণ খরচ করতে হয়। এতে ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। এজন্য এবার কেউ কোরবানির পশুর চামড়া কেউ ক্রয় করেনি।

প্রসঙ্গত, সরকার এবার প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ঢাকায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৩ থেকে ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

0Shares





Related News

Comments are Closed