Main Menu
শিরোনাম
শাবির ল্যাবে আরো ২০ জনের করোনা শনাক্ত         ওসমানীর ল্যাবে আরো ১৯ জনের করোনা শনাক্ত         মামাতো ভাইয়ের ‘ধর্ষণে’ মা হলো কিশোরী         সিলেটে একদিনে আরো ৫১ জন শনাক্ত, সুস্থ ৪৬         বালাগঞ্জে পাশবিকতার অভিযোগে প্রবাসী আটক         সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১২,৫৩১, মৃত্যু ২১৬         মাধবপুরে মহাসড়কে ত্রিমুখী সংর্ঘষে নিহত ১         সিলেটের দুই ল্যাবে ৩১ জনের করোনা শনাক্ত         করোনায় মৃতদের লাশ দাফন করছে প্রতিশ্রুতি দাফন টীম         বিশ্বনাথে করোনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু         সিলাম হাজীপুরে মসজিদ নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন         সিলেটের দুই ল্যাবে ১৯ জনের করোনা শনাক্ত        

চার প্রতিবন্ধীর ভাগ্যে জুটেনি সরকারী ভাতা

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় শিবাশ্রম গ্রামের একজন শিশুসহ চারজন পুরুষ বাক প্রতিবন্ধী। একই পরিবারের চারজন বাক প্রতিবন্ধী থাকা সত্যেও তাদের ভাগ্যে জুটেনি সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা।

তারা হলেন, মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের শিবাশ্রম গ্রামের বাক প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ নুর মিয়া(৬৬), মোহাম্মদ হাশেমের ছেলে রাব্বি মিয়া(১৯), মোঃ কাশেম (৫৪), মোঃ চান মিয়ার ছেলে মোঃ রিফাত (৯)। সে শারীরিক প্রতিবন্ধী।

দুইজনের বয়স পঞ্চাশোর্ধ ও দুজনে বয়স কিছুটা কম। বর্তমানে তারা খুব কষ্টে জীবনযাপন করছেন।

বর্ষার মৌসুমে তারা হাওরে মাছ শিকার করে ও শুকনো মৌসুমে বিভিন্ন প্রকার কাজ করে সংসার চালায়। তারা গ্রামে থাকার মত জায়গা না থাকায় হাওরে একটি বাড়ি করে কোন রকম জীবন যাপন করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সময় চেয়ারম্যান মেম্বারদেরকে বলেও কোন সরকারি ভাতা বা কার্ড করা সম্ভব হয়নি। তাদের প্রত্যেকের সন্তানরা বিদ্যালয়ে পড়ে এবং তাদের খরচ ও সংসারের খরচ মেটাতে তাদেরকে দিন রাত হাওরে পড়ে থাকতে হয়।

প্রতিবন্ধী চান মিয়ার স্ত্রী কালাবানুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, প্রায় সাত মাস আগে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কার্ডের জন্য নাম নেয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা পাইনি। এছাড়াও নুর মিয়ার বয়স্ক ভাতার কার্ড রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানায়, সরকার যদি তাদেরকে খোজ নিয়ে সবার ভাতার আওতায় এনে দিতেন তাহলে পরিবার গুলোর অনেক উপকার হতো।

এদিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাফায়েত উল্লাহ রয়েল জানান, তাদের মধ্যে নুর মিয়া নামে একজনের বয়স্ক ভাতার কার্ড রয়েছে। তার মধ্যে রিফাত নামে একজনের প্রতিবন্ধী কার্ড হয়ে গেছে। সে এখন থেকে ভাতা পাবে। এছাড়াও তার ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্র জনগণের সাহায্যের জন্য সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান ইউপি চেয়ারম্যান।

0Shares





Related News

Comments are Closed