Main Menu

নেত্রকোণায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণ: শিক্ষকসহ দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নেত্রকোণার মদনে কওমি মাদরাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার বহুল আলোচিত মামলায় মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর হুজুরসহ দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ।

Manual2 Ad Code

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নেত্রকোণা জেলা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ।

Manual8 Ad Code

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামান তদন্ত শেষে এজাহারনামীয় দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার অপর আসামি হলেন সাগরের ভাই মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া।

চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তার মা জীবিকার প্রয়োজনে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।

গত ১৮ এপ্রিল মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসক শিশুটিকে অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান। পরে ২৩ এপ্রিল তার মা বাদী হয়ে মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে মদন থানায় মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন সাগর। পরদিন আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর আদালত তার ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে ১২ মে আদালতের নির্দেশে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে থাকা অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ৩ জুলাই রাত ১২টার দিকে সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়।

নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ৯ জুলাই আদালতে আবেদন করে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে ২৮ জুলাই সিলেটের ওই সেফ হোমে নবজাতকের নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

Manual5 Ad Code

সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিলে যায়। এর ভিত্তিতে সাগরকেই নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে সিলেট সেফ হোমের উপতত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুল মুত্তাকিম জানান, শিশু মা ও তার সন্তান দুজনই বর্তমানে সুস্থ আছে। তবে শিশুটির ওজন কিছুটা কম। দুই মাস বয়সী নবজাতকের নামও রাখা হয়েছে।

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code