Main Menu

অবশেষে ডা. সাবরিনা গ্রেফতার

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নানা আলোচনা সমালোচনার পর অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে জেকেজি হেলথ কেয়ারের কথিত চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে। করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষায় প্রতারণার অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের বিরুদ্ধে করা মামলায় জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের এই চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Manual7 Ad Code

আজ রোববার দুপুরে তেজগাঁও থানায় এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানান তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ।

করোনাভাইরারে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা না করে ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগে ডা. সাবরিনার স্বামী জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। সেই মামলায় তাকে তলব করে পুলিশ। সে অনুয়ায়ী এদিন বেলা সোয়া ১টার দিকে কর্মস্থল থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের কার্যালয়ে হাজির হন ডা. সাবরিনা।

Manual8 Ad Code

জিজ্ঞাসাবাদে জেকেজির সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন ডা. সাবরিনা। কেবল কভিড-১৯ বিষয়ক কিছু পরামর্শ দিয়ে সংস্থাটিকে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

Manual8 Ad Code

জেকেজির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথকেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে টাকা নিচ্ছিল এবং নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিত। এবিষয়ে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বাড়ির কেয়ারটেকারের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ২২ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের সাবেক গ্রাফিক ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজীন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফুলকেও গ্রেফতার করা হয়।

Manual4 Ad Code

এর আগে গত ৪ জুন ডা. সাবরিনা তার স্বামী আরিফুলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে তেজগাঁও বিভাগের একটি থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।

ডা, সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরী

যেভাবে সাবরিনা-আরিফের গোপন প্রতারণা ফাঁস হলো-
জেকেজিতে চাকরি করতেন নার্স তানজিনা পাটোয়ারি ও তার স্বামী হুমায়ূন কবির। তানজিনার বেতন ছিল ৩০ হাজার টাকা। ভুয়া করোনা পরীক্ষা করে কোটি কোটি টাকা কামানো দেখে তানজিনা দাবি করেন তার বেতন বাড়িয়ে দিতে হবে। বিষয়টি নিয়ে জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরী তানজিনা ও তার স্বামীকে চাকরিচ্যুত করেন।

পরে তারা দু’জন বাসায় বসে করোনার ভুয়া টেস্টের সনদ বাণিজ্য চালান। তানজিনা নমুনা সংগ্রহ করতেন আর ঘরে বসে তার স্বামী রিপোর্ট তৈরি করতেন। ২৩ জুন রাতে তানজিনা পাটেয়ারি ও তার স্বামী গ্রেফতার হওয়ার পর বেরিয়ে আসে জেকেজির প্রতারণার রহস্য। তার পরদিন ২৪ জুন জেকেজির গুলশান অফিসে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় প্রতারক আরিফ চৌধুরীকে।

ওইদিনই প্রতিষ্ঠানটির কিছু কর্মী আরিফকে ছাড়িয়ে নিতে তেজগাঁও থানায় জড়ো হন। তারা থানার বাইরে হট্টগোল করতে থাকেন। আটক করা হয় ১৮ জনকে। এ ঘটনায় পৃথক একটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। দু’জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code