Main Menu

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৪ লাখ ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) স্তব্ধ গোটা বিশ্ব। মহামারি মোকাবিলায় দেশে দেশে চলছে লকডাউন, জরুরি অবস্থাসহ নানা বিধি নিষেধ। ইতিমধ্যে এতে পুরো দুনিয়া বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ডিসেম্বরে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। এরপর চারমাস পেরোলেও নিয়ন্ত্রণের কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। যদিও এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারে উঠে পড়ে লেগেছেন বিজ্ঞানীরা। এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মারা গেছে ৪ লাখের বেশি, আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৬৯ লাখ ছাড়িয়েছে, আর সুস্থ হয়েছে ৩৪ লাখ।

মার্কিন জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, আজ রবিবার (৭ জুন) সকাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২ হাজার ৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ১৭৭ জনের। আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ লাখ ৭৩ হাজার ২৪৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭১৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৩৪ লাখ ১১ হাজার ৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৭৫ হাজার ৭৬৪ জন।

বিশ্বে বর্তমানে ৩১ লাখ ৬০ হাজার ৯৮ জন শনাক্ত করোনা রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে ৩১ লাখ ৬ হাজার ৫১২ জন চিকিৎসাধীন, যাদের অবস্থা স্থিতিশীল। আর বাকি ৫৩ হাজার ৫৮৬ জনের অবস্থা গুরুতর, যাদের অধিকাংশই আইসিউতে রয়েছে।

ভাইরাসটিতে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৪, সুস্থ হয়েছে ৭ লাখ ৫১ হাজার ৮৯৪, মারা গেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৬ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু এবং আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে।

আর যেসব দেশে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে, সেগুলো হলো- ব্রাজিলে আক্রান্ত ৬ লাখ ৭৫ হাজার ৮৩০, সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ২ হাজার ৮৪, মারা গেছে ৩৬ হাজার ২৬ জন। রাশিয়ায় আক্রান্ত ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯, সুস্থ হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৩৮৮, মারা গেছে ৫ হাজার ৭২৫ জন। স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯০, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৩৭৬, মারা গেছে ২৭ হাজার ১৩৫ জন। যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৮, সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ২৩০, মারা গেছে ৪০ হাজার ৪৬৫ জন। ইতালিতে আক্রান্ত ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮০১, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮, মারা গেছে ৩৩ হাজার ৮৪৬ জন। পেরুতে আক্রান্ত ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৫৮, সুস্থ হয়েছে ৮২ হাজার ৭৩১, মারা গেছে ৫ হাজার ৩০১ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯৬, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০, মারা গেছে ৮ হাজার ৭৬৯ জন। ইরানে আক্রান্ত ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪২৫, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৮, মারা গেছে ৮ হাজার ২০৯ জন। তুরস্কে আক্রান্ত ১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৮, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩২২, মারা গেছে ৪ হাজার ৬৬৯ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৪, সুস্থ হয়েছে ৭০ হাজার ৮০৬, মারা গেছে ২৯ হাজার ১৪২ জন। চিলিতে আক্রান্ত ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৪৫, সুস্থ হয়েছে ৯৫ হাজার ৬৩১, মারা গেছে ১ হাজার ৫৪১ জন। মেক্সিকোতে আক্রান্ত ১ লাখ ১৩ হাজার ৬১৯, সুস্থ হয়েছে ৮১ হাজার ৫৪৪, মারা গেছে ১৩ হাজার ৫১১ জন। কানাডাতে আক্রান্ত ৯৫ হাজার ৫৭, সুস্থ হয়েছে ৫৩ হাজার ৬১৪, মারা গেছে ৭ হাজার ৭৭৩ জন।

এদিকে, করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্ত ৮৩ হাজার ৩৬, সুস্থ হয়েছে ৭৮ হাজার ৩৩২, মারা গেছে ৪ হাজার ৬৩৪ জন। বেলজিয়ামে আক্রান্ত ৫৯ হাজার ৭২, সুস্থ হয়েছে ১৬ হাজার ১৯০, মারা গেছে ৯ হাজার ৫৮০ জন। নেদারল্যান্ডসে আক্রান্ত ৪৭ হাজার ৩৩৫, সুস্থ হয়েছে ১৮১, মারা গেছে ৬ হাজার ১১ জন। সুইডেনে আক্রান্ত ৪৩ হাজার ৮৮৭, সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৯৭১, মারা গেছে ৪ হাজার ৬৫৬ জন। ইকুয়েডরে আক্রান্ত ৪১ হাজার ৫৭৫, সুস্থ হয়েছে ২০ হাজার ৫৬৮, মারা গেছে ৩ হাজার ৫৩৪ জন। কলম্বিয়ায় আক্রান্ত ৩৮ হাজার ২৭, সুস্থ হয়েছে ১৪ হাজার ৩৮২, মারা গেছে ১ হাজার ২০৫ জন। পর্তুগালে আক্রান্ত ৩৪ হাজার ৩৫১, সুস্থ হয়েছে ২০ হাজার ৮০৭, মারা গেছে ১ হাজার ৪৭৪ জন।

অন্যদিকে, মিশরে আক্রান্ত ৩২ হাজার ৬১২, সুস্থ হয়েছে ৮ হাজার ৫৩৮, মারা গেছে ১ হাজার ১৯৮ জন। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্ত ৩০ হাজার ৯৫৬, সুস্থ হয়েছে ২৮ হাজার ৭০০, মারা গেছে ১ হাজার ৯২১ জন। ইন্দোনেশিয়ায় আক্রান্ত ৩০ হাজার ৫১৪, সুস্থ হয়েছে ৯ হাজার ৯০৭, মারা গেছে ১ হাজার ৮০১ জন। পোলান্ডে আক্রান্ত ২৫ হাজার ৯৮৬, সুস্থ হয়েছে ১২ হাজার ৬৪১, মারা গেছে ১ হাজার ১৫৩ জন। আয়ারল্যান্ডে আক্রান্ত ২৫ হাজার ১৮৩, সুস্থ হয়েছে ২২ হাজার ৬৯৮, মারা গেছে ১ হাজার ৬৭৮ জন। রোমানিয়ায় আক্রান্ত ২০ হাজার ২৯০, সুস্থ হয়েছে ১৪ হাজার ৪১৯, মারা গেছে ১ হাজার ৩২২ জন।

এ ছাড়া, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতে আক্রান্ত ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬২২, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৫, মারা গেছে ৬ হাজার ৯৪৬ জন। পাকিস্তানে আক্রান্ত ৯৩ হাজার ৯৮৩, সুস্থ হয়েছে ৩২ হাজার ৫৮১, মারা গেছে ১ হাজার ৯৩৫ জন। বাংলাদেশে আক্রান্ত ৬৩ হাজার ২৬, সুস্থ হয়েছে ১৩ হাজার ৩২৫, মারা গেছে ৮৪৬ জন।

প্রসঙ্গত, এ রোগের কোনো উপসর্গ যেমন জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, বারবার কাঁপুনি, পেশিতে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া। তাই এগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বাইরে চলাফেরার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে এবং খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে।

Share





Related News

Comments are Closed