Main Menu

সুবীর নন্দীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Manual8 Ad Code

বিনোদন ডেস্ক: বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ৭ মে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।এরপর ৮ মে ঢাকায় আসে তার মরদেহ। এরপর ঢাকেশ্বরী মন্দির, শহীদ মিনার, এফডিসি ও চ্যানেল আইতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

গতবছরে সিলেট থেকে ট্রেনে ফেরার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন সুবীর নন্দী। এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে ১৮ দিন চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তায় সুবীর নন্দীকে ৩০ এপ্রিল সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়। সেদিন বিকেলেই সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে বরেণ্য এই শিল্পীর চিকিৎসা শুরু হয়।সেখানে চিকিৎসাধীন অবন্থায় ৭ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Manual3 Ad Code

সুবীর নন্দী ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় নন্দীপাড়া নামক মহল্লা এক সংগীত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।

Manual4 Ad Code

ছোটবেলা থেকেই তিনি ভাই-বোনদের সঙ্গে শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিম নিতে শুরু করেন ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে। তবে সংগীতে তার হাতেখড়ি মায়ের কাছেই।

Manual4 Ad Code

সুবীর নন্দী গানের জগতে আসেন ১৯৭০ সালে ঢাকা রেডিওতে প্রথম রেকর্ডিং এর মধ্য দিয়ে। প্রথম গান ‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়’। গানটির গীত রচনা করেন মোহাম্মদ মুজাক্কের এবং সুরারোপ করেন ওস্তাদ মীর কাসেম।

৪০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রে গেয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। চলচ্চিত্রে প্রথম গান করেন ১৯৭৬ সালে আব্দুস সামাদ পরিচালিত সূর্যগ্রহণ চলচ্চিত্রে। ১৯৮১ সালে তার একক অ্যালবাম ‘সুবীর নন্দীর গান’ ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে বাজারে আসে। তিনি গানের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যাংকে চাকরি করেছেন।

চলচ্চিত্রের সংগীতে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়া সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code