Main Menu

লকডাউনেও ৩৯ যাত্রী নিয়ে পটুয়াখালির বাস সিলেটে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ রোধে সিলেট জেলায় লকডাউন চলছে। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে পটুয়াখালি থেকে ৩৯ যাত্রী নিয়ে সিলেট আসে একটি বাস। এ বাসে যারা এসেছেন তারা সিলেট অঞ্চলেরই বাসিন্দা।

শ্রমিকের কাজ করতেন পটুয়াখালির কলাপাড়া তাপবিদ্যুত কেন্দ্রে। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে কাজ বন্ধ থাকায় তারা ধান কাটতে চলে এসেছেন নিজেদের এলাকায়। অবশ্য স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি পত্র নিয়েই তারা এসেছেন। এ কারণে লকডাউনের মাঝেও তারা এতটা পথ পাড়ি দিয়ে আসতে পেরেছেন।

বুধবার রাতে ছেড়ে আসা বাসটি বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ১১ যাত্রীকে সিলেট নগরীর কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় নামিয়ে দেয়। তাদের নামিয়ে দিয়ে দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করে। তবে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে যাত্রীদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ওসমানী নগর থানাকে অবহিত করা হয়।

ওসমানীনগর থানার একদল পুলিশ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের শেরপুরে চেকপোস্ট বসিয়ে রাত পৌনে ১১টার দিকে অগ্রদূত পরিবহনের ওই বাসটি এবং চালকসহ ২৫ জনকে আটক করে। এ সময় তাদের সাথে পটুয়াখালির কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. শহিদুল হকের দেওয়া একটি প্রত্যয়নপত্র দেখালে বাসসহ আসা যাত্রীদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বলেন, ‘তারা কলাপাড়া তাপবিদ্যুত কেন্দ্রে শ্রমিকের কাজ করতো। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতিপত্র নিয়ে ধান কাটতে তারা সিলেট এসেছে। এদের মধ্যে তিনজন সিলেটের কানাইঘাটের বাসিন্দা। বাকিরা হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। বাসটি কয়েকজনকে টার্মিনালে রেখে দ্রুত চলে গেছে। ফলে তারা এখানে আটকা পড়েন। সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়ে তাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

সিলেটের পুলিশ সুপার মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, বাসে আসা যাত্রীদের মধ্যে ৩ জন সিলেটের কানাইঘাটের। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। আর ২৩ জনের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলায়। এজন্য তাদেরও হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed