Main Menu

সিলেটে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা বৃদ্ধের মৃত্যু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীতে হোম কোয়রেন্টিনে থাকা এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। নগরীর হাউজিং এস্টেট আবাসিক এলাকার বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন (৬৫) নামের ওই বৃদ্ধ দেশে থাকলেও তার ছেলে সম্প্রতি যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছিলেন। তিনি কিডনির জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতেন। তিনি দর্শনদেউড়ির গিয়াস উদ্দিন স’মিল ও নূরে আলা কমিউনিটি সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে নিজ বাসায় মারা যান গিয়াস উদ্দিন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিন কিডনির জটিলতায় ভূগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হতো। গত ১৪ মার্চ যুক্তরাজ্য থেকে তার ছেলে দেশে ফেরেন। পরদিন গিয়াসউদ্দিনের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বাবাকে নিয়ে সিলেট কিডনী ফাউন্ডেশনে যান তার প্রবাসী ছেলে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিস্তারিত শুনে গিয়াস উদ্দিনকে কোয়ারেন্টিনে রাখার পরামর্শ দেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানান, তিনি উপশহরের এশটি মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতেন। শ্বাসকষ্ট অনুভূত হওয়ায় সম্প্রতি তার যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছেলে ও ছেলের স্ত্রী তাকে নিয়ে ওই সেন্টারে যান। কিন্তু, ওই হাসপাতাল তার হিস্ট্রি শুনে তাকে ফিরিয়ে দেয়। এরপর থেকে তার ছেলে, ছেলের স্ত্রী, ওই ব্যক্তি, তার ৯০ বছর বয়সী শাশুড়ি ও তার স্ত্রী নিজ থেকে বাসায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। কিন্তু, ছেলে ও ছেলের স্ত্রী দুদিন আগে চলে যান লন্ডনে। এরপর মঙ্গলবার রাতে বাসাতেই তার মৃত্যু হয়। কাউন্সিলর কয়েস লোদী জানান, বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর পর তারা বৃদ্ধকে দ্রুত দাফনের ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। এ অনুযায়ী তাকে মানিকপীর (র.) কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেয়া হয়। তবে বুধবার দুপুর ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার দাফন শেষ হয়নি বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। তবে বাদ যোহর দাফন হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবারের বরাত দিয়ে কাউন্সিলর কয়েস লোদী জানান, শ্বাস কষ্টজনিত কারণে তিনি অনেকটা বিনা চিকিৎসায়ই মারা গেছেন।

সিলেট জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, বৃদ্ধ নয়, তার ছেলে হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। কিন্তু, ছেলে দুইদিন পূর্বে ইংল্যান্ডে চলে গেছেন। যেহেতু ছেলে বৃদ্ধের সাথে ছিলেন-তাই এ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed