Main Menu

নবীগঞ্জে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকার অনশন

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করেছে এক কলেজছাত্রী। সে নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের ইমাম-বাঔয়ানি চা বাগানের বাসিন্দা জীবন কৃষ্ণ গোয়ালার মেয়ে ও আউশকান্দি র.প স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। প্রেমিক দেবপাড়া ইউনিয়নের বালিদ্বারা নারাইন্দি গ্রামের প্রদীপ চন্দ্র করের ছেলে রনি চন্দ্র কর।

এদিকে মেয়েটি স্বীকৃতির দাবিতে অনশন করলেও ছেলের পরিবার তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। আর প্রেমিকার অনশনের খবর শুনে প্রেমিক আত্মগোপনে চলে যায়।

গত মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে ছাত্রী তার মা-বাবা ও এক মামাকে নিয়ে প্রেমিক রনির বাড়িতে এসে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশন করে। পরে মেয়ের অনশনের খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার লোকজন উপস্থিত হন।

এসময় মেয়েটি জানায়, প্রায় ১ বছর আগে কলেজে পরিচয় হয় রনির সাথে। এক পর্যায়ে উভয়ের মন দেয়া নেয়া হয়। সম্প্রতি প্রেমিক রনি মোবাইল ফোনে জানায়, তার সাথে দেখা করার জন্য। পরে দেখা হয় প্রেমিক জুটির। এসময় রনি বলে নবীগঞ্জ শহরতলীতে তাদের এক আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে যাওয়ার জন্য। সেই প্রস্তাবে রাজি হলে রনি নিয়ে যায় নবীগঞ্জ শহরস্থ তার মাসির বাসায়। সেখানে গিয়ে রনি ওই ছাত্রীকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়।

প্রেমিক রনি কর
প্রেমিক রনি কর

তখন আমি আশ্বাসে রাজি না হলে সে আমাকে তখনই সিঁদুর পরিয়ে দেয়। এদিকে খবর পেয়ে রনির কাকা শ্রীভাষ ও বিশুসহ কয়েকজন লোক যায় ওই বাসায়। সেখানে গিয়ে তারা কোর্ট ম্যারিজ করাতে হবে বলে আমাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে আসেন। পানিউম্দা বাজারে গিয়ে অনেকেই গাড়ী থেকে নেমে যান। পরে রনি ও একজন লোক মেয়েকে নিয়ে যায় চা বাগানের ভিতরে তাদের বাসায়। বাসায় গিয়ে মেয়ের মায়ের সঙ্গে কথা বলে মাকে বুঝিয়ে বলেন, যেহেতু ছেলে-মেয়ে একে অন্যকে পছন্দ করে বিয়ে করেছে তাই ৭২ ঘন্টার ভিতরে আনুষ্ঠানিকভাবে কন্যাকে নেয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়ে আসেন।

দেবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোহিত চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান বলেন, থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed