Main Menu

বিশ্বনাথে গণধর্ষণ মামলার আসামী জাহাঙ্গীর গ্রেপ্তার

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়ে লজ্জা সইতে না পেরে সিলেটের বিশ্বনাথে পপি বেগমের আত্মহত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯ এর সদস্যরা বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় জেলার ওসমানী নগর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন।

ধৃত জাহাঙ্গীর আলম দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলি চেরাগী গ্রামের আজিজুল হকের পুত্র। সে বিশ্বনাথ উপজেলার চাঞ্চল্যকর পপি ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী। এ মামলায় এর আগে জাহেদ হোসেন (২২) ও ধর্ষনের শিকার পপির দুলাভাই ফয়জুল ইসলাম (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত এজাহারনামীয় চারজনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার মনিরুজ্জামান জানান, ধৃত আসামীকে শুক্রবার বিশ্বনাথ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গত ৯ অক্টোবর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী (চেরাগী) গ্রামে বড় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে গণধর্ষনের শিকার হয়ে পরদিন আত্মহত্যা করেন জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার লালটেক গ্রামের হতদরিদ্র শুকুর আলীর মেয়ে পপি বেগম (১৯)। ভিকটিম গণধর্ষনের বিষয়টি কাউকে না জানালেও তার ভ্যানিটি ব্যাগে পাওয়া একটি নোটের সূত্র ধরে আত্মহত্যার আসল রহস্য উন্মেচিত হয়। চিরকুট পাওয়ার পর পপির বড় বোনের স্বামী ফয়জুল ইসলামসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামী করে বিশ্বনাথ থানায় দন্ডবিধি ২০১ তৎসহ ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং ২০০৩) এর ৯ (৩)/৯ক ধারায় মেয়েটির পিতা শুকুর আলী মামলা দায়ের করেন। পপির রেখে যাওয়া সুইসাইডাল নোট ও তার পিতার মামলা দায়ের করার পর তৎপর হয়ে উঠেন আইন-শৃংখলা বাহিনী এবং গ্রেফতার হয় এজহারনামীয় কিন অভিযুক্ত আসামীকে।

Share





Related News

Comments are Closed