জৈন্তাপুরে ১৯টি ভারতীয় গরু আটক
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি : সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল এলাকার বাঘছড়া এলাকা থেকে ভারতীয় ১৯টি গরু আটক করেছে বিজিবি।
এলাকাবাসী ও বিজিবির সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোর রাত সাড়ে ৪টায় জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল সীমান্তের ১৩০১ আর্ন্তজাতিক পিলারের ৪এস পিলার সংলগ্ন বাঘছড়া তুমইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ বিজিবি’র লালাখাল ক্যাম্পের টহল টিম ১৯টি ভারতীয় গরু আটক করে। এসময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে ভারত হতে নিয়ে আসা গরু ফেলে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা। পরে আটককৃত ১৯টি ভারতীয় গরু ক্যাম্পে নিয়ে আসে বিজিবি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, লালাখাল সীমান্তের গোয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, জালিয়াখলা, কালিঞ্জিবাড়ী, লালাখাল, লালাখাল চা-বাগান, আফিফা নগর চা-বাগান, জঙ্গীবিল, বাঘছড়া, তুমইর, সিঙ্গারীরপাড়, বালিদাঁড়া এবং ইয়াংরাজা দিয়ে প্রতিদিন রাতে বাংলাদেশের প্রায় ২ শতাধিক চোরাকারবারী সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা অবৈধ মালামাল বাংলাদেশে নিয়ে আসছে।
এ সকল সীমান্ত পথে ভারত হতে অফিসার চয়েজ, অফিসার চয়েস ব্লু, ব্ল্যাকবেরি, বিয়ার, ইয়াবা, আমদানী নিষিদ্ধ ভারতীয় নাছির বিড়ি, ভারতীয় বিভিন্ন ব্যান্ডের সিগারেট, সুপারী, মোবাইল সামগ্রী, ভারতীয় শাড়ী, গরু ও মহিষের বড় বড় চালান বাংলাদেশে নিয়ে আসছে চোরাকারবারী সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা। তারা আরো জানান, সম্প্রতি লালাখাল সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ গুলি ছোড়ার ঘটনার পর হতে ১৯ বিজিবি’র লালাখাল ক্যাম্প নাম মাত্র অভিযান পরিচালনা করে গরু আটক করলেও চোরাকারবারীরা শতশত ভারতীয় রোগাক্রান্ত গরু ও অন্যান্য পন্য সামগ্রী বাংলাদেশে নিয়ে আসছে।
এ ব্যাপারে ১৯ বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল সাইদ বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। যার ফলে প্রায় প্রতিদিন আমাদের সদস্যরা গরু আটক করছে। অন্যান্য মালামালা আটকের চেষ্টা চলছে। তিনি বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহবান জানান।
Related News
কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচা নিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচার দেনাপাওনা নিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যেRead More
বিশ্বনাথে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কছির আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকেRead More



Comments are Closed