Main Menu

জাবিতে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে ভাংচুর

জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উপর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকাল ১০টায় বিভাগের ৩য় তলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উক্ত তলা সিলগালা করে দেয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. এমদাদুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বুধবার সকালে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আমির হোসেন ভূঁইয়ার উস্কানিতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা সিএসই বিভাগের ৩য় তলায় অনুপ্রবেশ করে। পরে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭তম আবর্তনের আব্দুল্লাহ আল জাফর, আবীর, সোহেল ও ৪৬তম আবর্তনের রাসেল সহ ৩০-৪০জন শিক্ষার্থী ফটক ভাঙে। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বিভাগে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। যা বিভাগের সিসি টিভি ফুটেজে সংরক্ষিত রয়েছে। এ সময় তারা সিএসই বিভাগের মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এন্ড টেস্টিং ল্যাব, শিক্ষক কক্ষ, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, নোটিশ বোর্ড সহ বিভিন্ন জিনিসের ক্ষতির চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই উপ-উপাচার্য ও প্রক্টোরিয়াল টিমের হস্তক্ষেপে ভবনের ৩য় তলার সিএসই অংশ সিলগালা করা হয়।

এদিকে ওইদিন সিএসই বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ১ম সেমিস্টারের এক গ্রুপের ইলেকট্রনিক্স ল্যাব পরীক্ষা হলেও ৩য় তলায় কম্পিউটার ল্যাব এবং শিক্ষকদের কক্ষ বন্ধ থাকায় অপর পক্ষের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। এ সয়ম তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তি সহ সিএসই বিভাগের জন্য বরাদ্দকৃত জায়গা অতিদ্রুত বিভাগকে বুঝিয়ে দেয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিভাগের অধ্যাপক আবু সাঈদ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পর আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা দুইতিনদিন সময় চেয়েছেন। তাদের কথায় আমরা নিশ্চিত হতে পারি না। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করছি। অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনকেই দায়ভার বহন করতে হবে।

অভিযোগের বিষয়ে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আমির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ৩য় তলায় আমাদের সেমিনার কক্ষ ও লাইব্রেরী। তাই গতকাল বুধবার শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়েছিল। আর ৩য় তলাটি বর্তমানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যা তারা আমাদেরকে ব্যবহারের জন্য দিয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. নুরুল আলম বলেন, আমরা ঘটনাটি জেনেছি। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা রয়েছে। সেখানে বিষয়টি উঠবে। আমরা উভয় বিভাগকে ডেকেছি। সেখানেই আলোচনা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed