সন্তান জন্ম দেয়া নিষিদ্ধ যে গ্রামে
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : পশ্চিম ঘানার একটি গ্রাম মামফে ডাভ। এই গ্রামের কোনো বাসিন্দারই জন্ম নিজ গ্রামে নয়। সেখানে সন্তান জন্ম দেয়ার অনুমতি নেই। এখানে সন্তান জন্ম দেয়াকে প্রথাবিরোধী এবং সৃষ্টিকর্তার অসন্তুষ্টির কারণ মনে করা হয়।
বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এই গ্রামের কথা জানিয়ে বলছে, গ্রামের এই নিয়ম ভাঙতে গিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুঃসহ যন্ত্রণা সহ্য করেছেন সন্তানসম্ভবা অনেক মা। এরপরও অনুমতি মেলেনি সন্তান প্রসবের।
শুধু তাই নয়, এখানে গর্ভবতী নারীদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়, ছুটে চলতে হয়। এমনকি তীব্র প্রসববেদনা নিয়েও কঠিন পথ পারি দিতে হয়।
তবে নারীরা এই নিয়মের বিরোধীতা করতে শুরু করেছেন। তাদের দাবি, এখানেই তাদের সন্তান জন্মদানের অনুমতি দেয়া হোক। এই গ্রামের একজন নারী হানাহ কোসিনা। তিনি বলেন, আমি ৯ মাসের গর্ভবতী। কিন্তু এখানে সন্তান জন্ম দেয়ার অনুমতি নেই। সন্তান প্রসব করতে আমাদেরকে অনেক দূরে যেতে হয়।
তিনি বলেন, প্রথম সন্তান জন্ম দেয়ার সময় আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল। অন্য গ্রামে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ি পেতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়। আমার দ্বিতীয় সন্তানটি হয় অন্য আরেকটি গ্রামে। তবে এখন কাছাকাছি একটি ক্লিনিক হয়েছে। আমার তৃতীয় সন্তান প্রসবের সময় সেখানেই যাবো।
হানাহ কোসিনা আরো বলেন, আমি গ্রামের মোড়লদের কাছে বলতে চাই আপনারা এই নিয়ম বিলুপ্ত করুন। আমরা যেন গ্রামেই সন্তান জন্ম দিতে পারি।
মোড়লদের একজন কওয়ামে সিদিতসে বেনুয়া। তিনি বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষরা এখানে আসেন, তখন স্বর্গ থেকে বাণী এসেছিল। এটি একটি পবিত্র ভূমি, তোমরা যদি এখানে বসবাস করতে চাও; তবে এখানে কিছু নিয়ম আছে, এখানে কারো জন্ম হবে না। এবং কারো সৎকারও হবে না।
তিনি বলেন, আপনি যদি অনুগত হন, তাহলে সবকিছু ঠিকভাবে চলবে এবং সে কারণে আমরা এখনো এখানে আছি।
ওই অঞ্চলের অন্যান্য গ্রামে এই রকম নিয়ম বিলুপ্ত করা হলেও এই গ্রামে হচ্ছে না। কারণ এখানকার মোড়লরা তা করতে চায় না।
Related News
৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশের ৫৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাদিক ৫৮ সন্তানের ভরণপোষণ করতে গিয়েRead More
মিলনের পর সঙ্গীকেই খাবার বানায় যে স্ত্রী!
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আজ ৮ অক্টোবর, বিশ্ব অক্টোপাস দিবস। সমুদ্রের রহস্যময় প্রাণীদের মধ্যে অক্টোপাস বরাবরইRead More



Comments are Closed