Main Menu

বিশ্বনাথ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই ডাক্তার, দূর্ভোগে রোগীরা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ছোট শিশু এক্সিডেন্ট করেছে। সাথে সাথে নিয়ে আসা হয়েছে হাসপাতালে। কিন্তু কোন ডাক্তার নেই। আছে শুধু একজন নার্স। নার্সের কাছেও নেই কোন ডাক্তারের নাম্বার। এভাবেই চলছে বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম।
আজ বুধবার অনেক রোগী এসেছিলেন বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিতে এসে রোগীরা পাননি ডাক্তারের দেখা। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ অন্যান্য ডাক্তারেরা নেই কর্মস্থলে। এছাড়া হাসপাতালে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার কথা থাকলেও দেখা যায় অপরিস্কার। অথচ সরকার পরিস্কার রাখার জন্য টাকা বরাদ্ধ দিয়ে থাকে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালে আসা আমতৈল গ্রামের শাহানা বেগম বলেন, ৭ দিন ধরে আমি হাসপাতালে আছি। আমাদেরকে প্রতিদিন সামান্য জুল দিয়ে খাবার দেয়া হয়। আমরা সবজি কিংবা মাছ চাইলে আমাদেরকে ধমক দেন তারা। তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি ৭দিন হয়েছে কিন্তু আজ পর্যন্ত বিছানা পরিবর্তন করা হয়নি।
শ্রীপুর গ্রামের পিয়ারা বেগম বলেন, আজ বুধবার সারাদিনের মধ্যে একবারও ডাক্তার আসেননি। হাসপাতালে সেবা নিতে এসে আমরা মহাবিপদে আছি।
পশ্চিম ধলিপাড়া গ্রামের সখিনা বেগম বলেন, বাইরে থেকে নিজের টাকা দিয়ে সিরিঞ্জ কিনে দিতে হয় ডাক্তারের কাছে। আর কোন ঔষধ চাইলে আমাদের ধমক শুনতে হয়। এভাবেই আমরা আছি।
পুরানগাঁও গ্রামের হতদরিদ্র আফিজ আলী বলেন, আমার ছেলের শ্বাসকষ্ট রোগ। হাসপাতালে নিয়ে আসলেও কোন সুচিকিৎসা পাচ্ছিনা। ডাক্তারের দেখাও পাচ্ছিনা। কি যে করি এখন আমি, আমার শিশুকে নিয়ে ভেবে পাচ্ছিনা।
ভোক্তভোগী অনেকেই বলেছেন, হাসপাতালে এসে ডাক্তার না পেয়ে আমরা চলে যাচ্ছি। তারা দু:খ করে বলেন, আমাদের সরকার অনেক টাকা খরচ করে ভবন নির্মাণ করে। বিনামূলে আমাদের ঔষধ দেয়। কিন্তু হাসপাতালে এসে আমরা কোন চিকিৎসা পাই না, পাইনি ডাক্তারের দেখা। প্রায় সময়ই এই হাসপাতালে ডাক্তার থাকেনা বলেও তারা অভিযোগ করেন।
কর্তব্যরত নার্স লাকী আরা বলেন, কোন ডাক্তারের মোবাইল নাম্বার আমার কাছে নেই, আমি শুধু রোগীর নাম ঠিকানা লিখে রাখি।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুর রহমান বলেন, হাসপাতালে ডাক্তার থাকার কথা। কিন্তু কেন নেই তা আমি দেখছি।

Share





Related News

Comments are Closed