ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসিরা। আবারো সোনালী ট্রফিতে চুমু আঁকল তারা। ১৯৯৮ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল ফ্রান্স।
অবশ্য হেরে গেলেও সাধুবাদ পাবে ক্রোয়েশিয়া। গোটা টুর্নামেন্টজুড়েই নান্দনিক ফুটবলের পসরা সাজিয়েছে ক্রোয়াটরা। ফাইনালেও উপহার দিয়েছে লড়াকু ফুটবল। তবে ফ্রান্সের গতির কাছে পেরে ওঠেনি তারা।
রোববার খেলা শুরুর ১৮তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে গ্রিজম্যানকে ফাউল করলে রেফারি ফ্রি কিকের নির্দেশ দেন। গ্রিজম্যানের ফ্রি-কিক ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালে বল ঢুকিয়ে দেন আগের ম্যাচের নায়ক মারিও মানজুকিচ। আর এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথম আত্মঘাতী গোলদাতা হিসেবে নাম লেখালেন তিনি।
ঠিক এর দশ মিনিট পর ২৮তম মিনিটে পেরেসিচের গোলে স্বস্তি ফেরে ক্রোয়েট শিবিরে। ডি-বক্সের বাহির থেকে পেরিসিচের শট লরিসকে নড়ার সুযোগ না দিয়ে জালে অবস্থান করে।
কিন্তু এ গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ক্রোয়েশিয়াকে এগিয়ে দেয়া গোলদাতা পেরেসিচ এবার ভিলেনের ভূমিকায়।
ক্রোয়েশিয়ার বক্সের ভেতর উড়ে আসা ক্রসে ফ্রান্সের মাতুইদি হেড করতে ব্যর্থ হন। বল লাগে তার পেছনেই থাকা পেরিসিচের হাতে। রেফারি যদিও প্রথমে পেনাল্টি দেননি। অনেক সময় নিয়ে ভিডিও রিপ্লে দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান আর্জেন্টাইন রেফারি। পেনাল্টি থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করেন গ্রিজমান।
এটিই বিশ্বকাপের কোনও আসরের ফাইনালে প্রথম পেনাল্টি। স্পট কিক থেকে টুর্নামেন্টে এটি নিজের ৪র্থ গোল।
বিরতি থেকে ফিরে গোলের জন্য মরিয়া ক্রোয়েশিয়া আক্রমণে যায়। কিন্তু লরিসের কল্যাণে তারা গোল বঞ্চিত হয়। ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে গোলটি করলেন পল পগবা। ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে বাঁ-পায়ে জোরালো শট নেন পগবা। গোলরক্ষক সুবাসিচকে ফাঁকি দিয়ে বল চলে যায় জালে।
এর ছয় মিনিট পর অর্থাৎ ৬৫ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে এই বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোলটি করেন এমবাপে। কিংবদন্তী ফুটবলার পেলের পর দ্বিতীয় তরুণ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল করলেন এই পিএসজি তারকা।
এবারের বিশ্বকাপ গোলরক্ষকদের জন্য অভিশাপ হয়েই রইল। ফর্মের তুঙ্গে থাকা গোলরক্ষকরা শিশুসুলভ ভুল করলেও বাকি ছিলেন ফ্রান্সের হুগো লরিস। ফাইনালের মঞ্চে তিনিও দৃষ্টিকটু ভুল করে বসেন। ৬৯ মিনিটে ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লরিসকে ব্যাক পাস দেন। কিন্তু রক্ষণমুখে থাকা মানজুকিচকে কাটাতে গিয়ে তার পায়ে লেগে গোল খেয়ে বসে ফ্রান্স।
যদিও প্রথমার্ধের বল পজিশনে এগিয়ে ছিল ক্রোয়েশিয়া। ক্রোয়েশিয়া তাদের পায়ে বল রাখে ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে ফ্রান্সের পায়ে ছিল ৪০ শতাংশ। ক্রোয়েশিয়ার ৭টি শটের বিপরীতে ফ্রান্স নিতে পেরেছে মাত্র ১টি শট। প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে ক্রোয়েটরা ২০৭টি পাস কমপ্লিট করেছে। অন্যদিকে ফ্রান্স করেছে মাত্র ৯০টি।
Related News
উজবেকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের ইতিহাস
Manual6 Ad Code স্পোর্টস ডেস্ক: এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে দারুণ এক অর্জন করেছে বাংলাদেশ নারী হকিRead More
৪৮ দলের বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ
Manual4 Ad Code স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ করেছে ফিফা। এবারের আসরে অংশRead More



Comments are Closed