Main Menu

পর্যটকদের হাতছানি দেয় তাহিরপুরের শিমুল বাগান

পর্যটন ডেস্ক : পাপড়ি মেলে থাকা শিমুলের রক্তিম আভা আর সুবাস মন রাঙ্গিয়ে ঘুম ভাঙ্গায় সৌখিন হ্নদয়ে- এ যেনো কল্পনার রঙ্গে সাজানো এক শিমুলের প্রান্তর। সেই সোন্দর্য উপভোগ করতে এই সময় দল বেঁধে হাজারো পর্যটক ও দর্শনার্থীরা ছুটে আসছেন।

হাওর, পাহাড়, আর নদী সমৃদ্ধ সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরের নতুন আকর্ষণ শিমুল বাগান। যাদুকাটা নদীর পাড়ের এই বাগান এখন পর্যটকদের বাড়তি বিনোদন দিচ্ছে।
মাঘের শুরু থেকেই ওই বাগানের শিমুল গাছগুলো রক্তিম আভা ছড়াচ্ছে।

সারিবদ্ধভাবে লাগানো শিমুল গাছগুলো ফুলের পসরা সাজিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার মানিগাঁঁও গ্রাম সংলগ্ন এই শিমুল বাগানটি অবসর কাটানোর আদর্শ জায়গা যেনো। এক পাশে শিমুল বাগান। ওপারে ভারতের মেঘালয় পাহাড়। মাঝে চোখ জুড়ানো মায়াবী যাদুকাটা নদী। সব মিলে মিশে মানিগাঁও গ্রামটি অপরুপ এক কাব্যিক ভাবনার প্রান্তর।
২০০২ সালে বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মানিগাঁও গ্রামের যাদুকাটা নদী সংলগ্ন ৯৮ বিঘা অনাবাদী জমি কেনেন। তখন সেটি ছিল বালুময়। বালুময় ওই জায়গাটিতে তিন হাজার শিমুলের চারা রোপন করা হয়। গত ১৬ বছরে গাছগুলো পত্রপল্লবে মেখম মেলেছে। আর তাইতো এই বাগানে নাটক-সিনেমার শুটিং হয়।

বাগানের মালিক প্রয়াত হয়েছেন। কিন্তু তার স্বপ্ন এখনো এখানে বিরাজমান। এ নিয়ে জয়নাল আবেদীনের ছেলে রাখাব উদ্দিন বলেন, ‘আমার বাবা একজন বৃক্ষপ্রেমী ছিলেন তিনি যাদুকাটা নদীর তীরে শিমুল বাগানটি করেছেন। শুধু তাই নয়, টাংগুয়ার হাওরে তিনি হিজল করচ গাছও লাগিয়েছেন। আজ বাবা নেই। আছে তার লাগানো গাছগুলো।’

রাখাব উদ্দিন জানান, এই বাগানে পর্যটক সমাগম বাড়াতে আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘এমনিতেই সুনামগঞ্জ প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ। পাহারঘেরা তাহিরপুরের পর্যটনের নতুন আকর্ষণ এই শিমুল বাগান।’

Share





Related News

Comments are Closed