Main Menu

সিলেটে জোড়া খুনের ঘটনায় আরেকটি মামলা

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বরইকান্দিতে জোড়া খুনের ঘটনায় আরো একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নিহত মাসুক মিয়ার স্ত্রী জালালাবাদ থানার শিবের বাজার রায়েরগাঁও গ্রামের রাবিয়া আক্তার পারুল বাদী হয়ে ১২ মার্চ সোমবার দক্ষিন সুরমা থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে বরইকান্দির ১০নং রোডের কাজী বাড়ির বাসিন্দা মৃত মাওলা মিয়ার ছেলে কাজী আব্দুল ওয়াদুদ আলফু মিয়াকে প্রধান আসামী করে ৯৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং কয়েক শতাধিক লোকজনকে অজ্ঞাত রেখে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি খায়রুল ফজল অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ অভিযোগটি পূর্বের মামলার সাথে সংযুক্ত করা হবে।

এর আগে গত ৮ মার্চ বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় ৭-৮শ’ জনকে আসামী করে নিহত দুইজনের পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত বাবুলের ভাই সেবুল আহমদ বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১০৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে বাকিদের।
এদিকে গত ৭ মার্চ বুধবার রাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ রাউন্ড কার্টুজের খোসা উদ্ধার করে পুলিশ।
এই মামলায় বরইকান্দি ইউনিয়নের ১০নং রোডের কাজি বাড়ির বাসিন্দা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৩নং তেলিখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ আলফু মিয়াকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
এ মামলায় ৮ মার্চ দুপুরে শাহজাহান নামক একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এলাকায় অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে এখনো পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি খায়রুল ফজল জানান এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

উল্লেখ্য, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গত ৬ মার্চ মঙ্গলবার সকালে বরইকান্দি এলাকার ১০নং রোডের বাসিন্দা কাজী আব্দুল ওয়াদুদ আলফু মিয়া এবং ৩নং রোডের বাসিন্দা বরইকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গৌছ মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে গৌছ মিয়ার পক্ষের তার দুই ভাগিনা বাবুল মিয়া ও মাসুক মিয়া প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ জন আহত হন।

Share





Related News

Comments are Closed