Main Menu

চার বছর ধরে হিমঘরে নিপা রানীর লাশ

মোঃ রিমন চৌধুরী, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের হিমঘরে প্রায় চার বছর থেকে নিপা রানীর লাশ পড়ে আছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের জানুয়ারী মাসে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার নীপা নামের এক নারী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ওই নারী হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করেন। কিন্তু মেয়েটির পরিবার এ বিয়ে মেনে নেয়নি। তারা আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা এখনও নীলফামারী আদালতে বিচারাধীন।

নীপার আত্মহত্যার পর লাশ নিতে পাল্টাপাল্টি আবেদন করা হয় তার স্বজন ও শ্বশুর বাড়ির পক্ষ থেকে। তবে লাশটি কারা গ্রহণ করবে? সে সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় চার বছর ধরে তার লাশটি পড়ে আছে রংপুর মেডিকেল হিমঘরে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বামুনিয়া এলাকার অক্ষয় কুমারের মেয়ে নীপা রানীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল পার্শ্ববর্তী বোড়াগাড়ী গ্রামের ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন কবীর রাজুর সঙ্গে।

২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে পালিয়ে নীলফামারী শহরে আসেন রাজু ও নিপা। সেখানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন নীপা এবং পরে তারা বিয়ে করেন। বিষয়টি মেনে নেননি নীপার বাবা অক্ষয় কুমার। তিনি এ ঘটনায় একটি অপহরণ মামলা করেন। এরপর পুলিশ রাজুকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠালে বাবা অক্ষয় কুমার জোর করে নীপাকে বাড়িতে নিয়ে যান। এর কিছুদিন পর রাজু জামিনে মুক্তি পান।

এরমধ্যে নীপা বিষপান করে আত্মহত্যা করেন। তার লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আনা হলে তখন থেকে সেটি হিমঘরে পড়ে আছে।

Share





Related News

Comments are Closed