Main Menu

লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ‘স্থাপত্য সপ্তাহ’ পরিদর্শনে কামরান

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বৃহস্পতিবার লিডিং ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের আয়োজনে স্থাপত্য সপ্তাহ-এর প্রকল্পসমূহ পরিদর্শন করেছেন। বিভিন্ন প্রকল্পের নকশা দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের মেধার বিকাশ সত্যই প্রশংসনীয়।’ ‘এ ধরনের শুভ উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়’ উল্লেখ তিনি বলেন, ‘লিডিং ইউনিভার্সিটি উচ্চশিক্ষা বিস্তারে এখন অনেক এগিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হলে এর কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।’

স্থাপত্য বিভাগের এসব প্রকল্পের নকশা বাস্তবে প্রতিফলিত হলে সিলেট নগরের নান্দনিক সৌদর্য অনেক বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী তাকে এ স্থাপত্য সপ্তাহ পরিদর্শনে এসে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে পেয়ে খুবই খুশি হয় এবং তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে।

সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রদর্শনী গতকাল পরিদর্শনে আসেন বেঙ্গল ইনস্টিটিউট অব আর্কটেকচার, ল্যান্ডস্কেপ এন্ড সেটেলমেন্টস এর ডিরেক্টর জেনারে আর্কিটেক্ট ড. কাজী খালিদ আশরাফ। এ প্রদর্শনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘স্থাপত্য শিল্প একটি নেশা এবং এখানে আমি সেই নেশারই প্রমান দেখলাম। খুব ভাল লাগল এ প্রদর্শনী খুবই চমৎকার হয়েছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থাপত্য বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক স্থপতি চৌধুরী মোস্তাক আহমদ, স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান স্থপতি মো. শওকত জাহান চৌধুরী, সহাকারী অধ্যাপক স্থপতি রাজন দাশ, আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মো. আব্দুল মোসাব্বির চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক মো. রাশেদুল ইসলাম, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার আবুল আবরার মাসরুর আহমেদসহ স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

লিডিং ইউনিভার্সিটির ৫ বছরব্যাপী স্থাপত্য শিক্ষার ফলস্বরুপ শিক্ষার্থীদের কর্তৃক সস্পাদিত সৃজনশীল প্রকল্পসমূহ নিয়েই এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ১ম বর্ষ থেকে ৫ম বর্ষ পর্যন্ত স্থাপত্য শিক্ষার পর্যায়ক্রমিক নান্দনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়সমূহ একে একে পাঁচটি স্তরে সূচারুরূপে সাজানো হয় এই প্রদর্শনীতে। মৌলিক, দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ডিজাইন থেকে শুরু করে স্থাপত্য বিজ্ঞান ও দর্শনের ভিত্তিতে নির্মিত ছোট থেকে বড় পরিসরের প্রকল্প এ প্রদশনীতে স্থান পায়। ছিল ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং নগর পরিকল্পনাও। ঐতিহাসিক এবং সমকালীন স্থাপত্যের সাথে নগরবাসীর পরিচয় ঘটানো এবং এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই এ আয়োজিত এ প্রদর্শনী। স্থাপত্য শিক্ষা বিস্তারে লিডিং ইউনিভার্সিটির গত এক দশকব্যাপী অগ্রণী ভূমিকার প্রতিফলনই ঘটে এই প্রদর্শনীতে যেখানে প্রদর্শনীতে সর্বমোট ২৪১টি প্রকল্প ছিল।

নগরীর বন্দর বাজারস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের রংমহল টাওয়ার ক্যাম্পাসের ৭ম তলায় স্থাপত্য বিভাগ প্রাঙ্গণে প্রদর্শনীর শেষ দিনের আয়োজনে আছে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী । এছাড়া রয়েছে চলচিত্র প্রদর্শনী বিকেল ৪ টায় এবং সন্ধ্যা ৭ টায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।

Share





Related News

Comments are Closed