Main Menu

ক্ষেতলালে বাণিজ্যিকভাবে কুঁচিয়া চাষ

মোঃ অালী হাসান, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বাড়ির পাশের নিচু পতিত জমিতে মাছ চাষের পাশাপাশি কুঁচিয়া চাষ শুরু করায় এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে কয়েকটি পরিবার।
উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের ভূতপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, ২০-২২টি পরিবার তাদের বাড়ির পাশের পতিত ও পরিত্যক্ত নিচু জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের পাশাপাশি কুঁচিয়া চাষ শুরু করেছে। কুঁচিয়া চাষ প্রদর্শনী খামারের মাধ্যমে হাপা বা ডিশ স্থাপন করে সেখানে প্রদর্শন করা হয়েছে। ভূতপাড়া গ্রামের হিন্দু পরিবারের ৪০ নারী-পুরুষ পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের পাশাপাশি কুঁচিয়া চাষ শুরু করেছেন। প্রকার ভেদে দেশীয়, হাইব্রিড ও ইউরোপীয় প্রজাতির কুঁচিয়া চাষ করছেন তারা। এ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে কুঁচিয়া চাষ করা হলেও বিক্রির জন্য স্থায়ী কোনো বাজার না থাকায় চাষিরা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও কামদিয়া, বগুড়ার আদমদীঘি ও সান্তাহার, নওগাঁর বিভিন্ন বাজারে গিয়ে কুঁচিয়া বিক্রি করেন।
ভূতপাড়া গ্রামের কুঁচিয়া চাষি তমা রানী, তরুণ, অঞ্জনা রানী, অমিত, সুমতি, পঞ্চমী, সূর্য, পিপো, সুভদা ও ইতি গর্ব করে বলেন, কুঁচিয়া বাজারে বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলস্বীও হচ্ছি। এসো এনজিও কুঁচিয়া চাষের জন্য প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।
ক্ষেতলাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাবেয়া ইয়াসমিন বলেন, কুঁচিয়া মৎস্য নয়, মৎস্য জাতীয় জলজ প্রাণী। এটা খাওয়ার উপযোগী। মানব দেহের পুষ্টি চাহিদা ও আমিষের ঘাটতি পূরণে ৭৫ ভাগ প্রোটিন পাওয়া যায় কুঁচিয়াতে। স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুঁচিয়া চাষ হচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed