Main Menu

কানাইঘাটে ধরাছোঁয়ার বাইরে জয়নালের ঘাতকচক্র

বিশেষ সাংদদাতা: সিলেটের কানাইঘাটে রুটি কারিগর জয়নাল হত্যার প্রায় ২মাস অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হচ্ছে না ঘাতকরা। অজ্ঞাত কারণে গ্রেফতার এড়িয়ে হত্যা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের নানাভাবে হয়রানী করছে। ঘটনার দায় এড়াতে ঘাতকরা গ্রেফতার এড়িয়ে বাদী ও সাক্ষীদের বিরুদ্ধে পাল্টা ‘মিথ্যা’ মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, কানাইঘাট থানার দিঘীরপার পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ ঠাকুরেরমাটি গ্রামের হত-দরিদ্র মতিউর রহমানের পুত্র জয়নাল আবেদীন (২৮) স্থানীয় সড়কের বাজারস্থ একটি রেষ্টুরেন্টে রুটির কারিগর ছিল। তার রয়েছে ৯মাসের একমাত্র পুত্র সন্তান। গত ১১ নভেম্বর বাড়ির ধারে মাছধরাকে কেন্দ্র করে তাকে খুন করে প্রতিবেশী রহমত আলী ও তার স্বজনরা। এ ঘটনায় নিহতের পিতা দিনমজুর মতিউর রহমান বাদী হয়ে ৭জনকে এজাহারভুক্ত করে কানাইঘাট থানায় একটি হত্যামামলা করেন। মামলার আসামীরা হচ্ছে, সিলেটের কানাইঘাট থানার সড়কেরবাজার এলাকাধীন দক্ষিণ ঠাকুরের মাটি গ্রামের মৃত আহমদ আলীর পুত্র রহমত আলী ও আব্দুস সালাম মনা, আহমদ আলীর স্ত্রী জাইরুন নেছা আনোয়ারা, আহমদ আলীর মেয়ে কলসুমা বেগম, মনি বেগম ও রহিমা বেগম এবং ঘাতক রহমত আলীর ভগ্নিপতি জকিগঞ্জের কিলোগ্রামের মজনু মিয়ার পুত্র জামিল।
মামলার পর জয়নালের ঘাতক রহমত আলীসহ আসামীরা গ্রেফতার এড়িয়ে চলেছে। অজ্ঞাতকারণে থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে না পারায় ঘাতকরা আরো বে-পরোয়া হয়ে হত্যা মামলার বাদী ও তার স্বজনদের নানাভাবে হয়রানি করছে।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, হত্যাকান্ডের দায় থেকে মুক্তিলাভের হীন উদ্দেশ্যে মামলার প্রধান আসামী রহমত আলী, রহমতের ভাই ও ভগ্নিপতি ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে তার বোন নাজমা বেগমকে দিয়ে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ১ম আদালতে পৃথক দুটি মামলা (নং সিআর-৩৩৬/১৭ ও সিআর ৩৬৫/১৭) করিয়েছে। এ দুই মামলায় হত্যামামলার বাদী নিহতের পিতা মতিউর রহমান ও তার স্বজনদের আসামী করে হয়রানী করছে । এমনকি জয়নাল হত্যা মামলার সাক্ষী ইউপি সদস্য গিয়াস উদ্দিন মড়াইকেও মিথ্যাভাবে এ দু’মামলায় আসামী করা হয়েছে। জযনালের ঘাতক রহমতের বোনের দায়ের করা একটি সাজানো মামলা (নং- সিআর ৩৬৫/১৭) তদন্ত করছে পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই সিলেট এবং অপর মামলাটি (নং- সিআর-৩৩৬/১৭) কানাইঘাট উপজেলার ৩নং দিঘীরপার পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যানের তদন্তে দেয়া হয়েছে।
নিরীহ দিনমজুর মতিউর রহমান তার একমাত্র কর্মক্ষম পুত্র জয়নাল হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও হয়রানীমূলক পাল্টা মামলা প্রত্যাহারে প্রশাসনসহ বর্তমান সরকার কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
হত্যামামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কানাইঘাট থানার এসআই বশির আহমদের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Share





Related News

Comments are Closed