Main Menu

বিশ্বনাথে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িতে প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থীর হামলা

বিশেষ সংবাদদাতা: সিলেটের বিশ্বনাথে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থী ও তার সহযোগীরা।
এ ঘটনায় ওই চেয়ারম্যান প্রার্থী সহ ৪৬জনকে আসামী করে মামলা হয়েছে। মামলায় ২৬জনকে এজাহারভুক্ত করে ২০জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে । গত ২১ আগস্ট বিশ্বনাথের মদনপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান পীর মোহাম্মদ লিয়াকত হোসেনের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের এ ঘটনা ঘটে। এসময় হামলাকারীরা বাড়ি থেকে পৌনে ৪ লাখ টাকার মালপত্র লুটে নেয়। ঘটনার পর বাড়ির কেয়ারটেকার মো. আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে এ মামলা {নং-২০(৮)১৭} করেন।
মামলার আসামীরা হচ্ছেন বিশ্বনাথের মোহাম্মদপুরের ধীরেন্দ্র ধরের পুত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সংকর চন্দ্র ধর, একই থানার রায়পুরের শফিক, নোয়ারাই গ্রামের রনজিত, মদনপুরের বিপ্লব, পরিমল, নান্টু দেব, রন দেব, জন্টু দেব, রানা গোস্মামী, রিপন বৈদ্য, শাওন চক্রবর্তী, দিপুল মালাকার, সুধীর ধর, বাদল দেব, বাদল দেব, রাক্কু দেব, রাজু দেব, নান্টু মালাকার, শ্যামল চন্দ্র চন্দ, স্বপন চন্দ্র চন্দ, সুমন চন্দ্র চন্দ, লিটন পাল, বিকাশ দেব, রিপন দেব, কৃষ্ণ বৈদ্য ও রিপু দেব।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান পীর মোহাম্মদ লিয়াকত হোসেন গত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হলে একই এলাকার মোহাম্মদপুর গ্রামের সংখ্যালঘু সংকর চন্দ্র ধরও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হন। নির্বাচনে উভয়প্রার্থী অকৃতকার্য হলে সংকর চন্দ্র ধর তার পরাজয়ের জন্য সাবেক চেয়ারম্যান পীর লিয়াকত হেসেনকে দায়ী করেন। আর এ বিরোধের জের ধরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের এ ঘটনা ঘটে।
পীর লিয়াকত হোসেন জানান, মামলায় ২৬ জনকে এজাহারনামীয় আসামী করা হলেও অজ্ঞাত কারনে পুলিশ আজোবধি একজনকেও গ্রেফতার করতে না পারায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। তিনি এ ব্যাপারে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed