Main Menu

সিলেটে সুরমা নদীতে অবৈধ বালু উক্তোলন, আটক ২

বিশেষ সংবাদদাতা: সিলেটের গোলাপগঞ্জে সুরমা নদীতে অবাধে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। এতে ভয়াবহ আকার ধারন করেছে দুই তীরে নদীভাঙ্গন। এর বিরুদ্দে এলাকাবাসী গড়ে তুলেছেন তীব্র প্রতিরোধ। স্থানীয় জনতা ২ জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। শনিবার (১৫জুলাই) গোলাপগঞ্জ উপলোধীন ছখরিয়া স্বরস্বতি ও কান্দিগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে প্রকাশ, গোলাপগঞ্জ উপজেলাধীন সুরমা নদীর ইজারা অযোগ্য ছখরিয়া স্বরস্বতি ও কান্দিগাওঁ এলাকায় অবাধে বালু ও মাটি উত্তোলন করে চলেছেন জনৈক ফখর, সেবুল মেম্বার ও আব্দুল আহাদসহ একটি চক্র। তারা নিজেদেরকে একজন মন্ত্রীর ঘনিষ্টজন দাবি করায় প্রশাসন তাদের বাঁধা দিতে সাহস পাচ্ছিল না। তাই তারা প্রত্যহ ৪০ থেকে ৫০টি ড্রেজার দিয়ে সুরমায় বালু লুটের মত পরিবেশ বিধ্বংসী ও নাশকতামূলক তান্ডব চালিয়ে আসছিল। তাদের তান্ডবলীলায় ইতোমধ্যে সুরমা তীরবর্তী একটি স্কুল ধ্বসে পড়ার উপক্রম হলে পাউবো তা’ রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু স্থানীয় ভূ-প্রশাসন ও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করতে থাকে।
এ পরিস্থিতিতে শনিবার সুরমার দুই তীরের ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা বালু উত্তোলনকারীদের প্রতিরোধে রাস্তায় নেমে আসেন। এসময় অবৈধ বালু উত্তালনকারীদের সাথে স্থানীয় জনতার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মৃদু সংঘর্ষ হয়। এলাকাবাসী ধাওয়া করে দুই ড্রেজার শ্রমিককে আটক করে স্থানীয় স্কুলে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং উপজেলা ভূমি অফিসের এসিল্যান্ড, সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার ঘটনাস্থলে পৌছেন। পরে পুলিশ ও উপজেলা ভূ-প্রশাসনের কাছে ‘আর অবৈধ বালু উত্তোলন করা হবেনা’ মর্মে মুচলেকা দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নেয় বালুখেকো চক্র। প্রত্যক্ষদর্শীসহ স্থানীয় সংবাদসূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গোলাপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একএম ফহলুল হক শিবিলীর সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি জরুরী মিটিংয়ে আছেন বলে এ বিষয়ে তথ্য দিতে তাৎক্ষনিক অপারগতা প্রকাশ করেন।

Share





Related News

Comments are Closed