Main Menu

মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করে স্বাবলম্বী যুবকরা

Manual5 Ad Code

মু.নজরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর গলাচিপায় মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করে শিক্ষিত যুবকরা এখন স্বাবলম্বী হয়েছে। এ উপজেলার অন্তত ২০টি রুটে শিক্ষিত যুবকরা এ পেশায় এগিয়ে এসেছে। অধিকাংশ চালক উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে চাকরি না পেয়ে শক্ত হাতে মোটরসাইকেলের হ্যান্ডেল ধরেছে। দিনমজুরসহ অন্য কাজে আপত্তি থাকলেও মোটরসাইকেলে যাত্রী বহন করে অর্থ উপার্জনে নেই কোনো আপত্তি ওই সব বেকার যুবকদের।
এদিকে গলাচিপার বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার মোটরসাইকেল চালক এসব ব্যবসার সাথে যুক্ত। বেশিরভাগ গলাচিপা উপজেলার চৌরাস্তা টু পানপট্টি, কলেজপাড়া টু উলানিয়া এবং হরিদেবপুর-পটুয়াখালী রুটে চলছে যাত্রী পরিবহনে এসব মোটরসাইকেল। এসব রুটে প্রতিদিনই বাড়ছে যাত্রী সংখ্যা। এতে এসব যানবাহনের চাহিদাও বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের প্রায় রাস্তাই বর্তমানে পাকা। ফলে যেসব এলাকার মানুষ মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে অথবা ভ্যানে কিংবা নৌকা যোগে চলাচল করত তাদের এখন প্রধান বাহন মোটরসাইকেল। মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা একজন চালক জানান, গলাচিপা উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার মোটরসাইকেল চালক আছে। যারা বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিবহন করে। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিক্ষিত। গ্রামগঞ্জে যারা মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব সুখে আছে। অনেকে দৈনিক বা চুক্তি ভিত্তিক এসব যানবাহন ভাড়া দিয়ে বাড়তি আয় করছে। যার ফলে তারা বেশ স্বাবলম্বী। প্রতিদিনের সকল খরচ বাদ দিয়ে তাদের দৈনিক চার-পাঁচ’শ টাকা আয় হয়। ঈদে আর কুরবানীর সময় আয় বেড়ে যায় দ্বিগুন থেকে তিনগুন। এছাড়া মোটর সাইকেলের টাকা সঞ্চয় করে কেউ কেউ একাধিক মোটরসাইকেল ক্রয় করছে। পরে তারা এগুলো দৈনিক বা চুক্তি ভিত্তিক ভাড়া দিচ্ছে।
পানপট্টি ইউনিয়নের গ্রামমর্দ্দন গ্রামের মোটরসাইকেল চালক কামাল আর উলানিয়ার চালক রাসেল জানান, বিএ পাশ করে বিভিন্ন স্থানে ঘুরলাম। একাধিক আবেদন করলাম। কিন্তু কোনো চাকুরি হয়নি। শেষে বাধ্য হয়ে এই পথ বেছে নিয়েছি। বর্তমানে পরিবার নিয়ে খুব সুখে আছি।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code