Main Menu

তিস্তা পারের জেলেদের মুখে হাসির ঝিলিক

ময়নুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : ভারতের একতরফা খামখেয়ালির ফলে মরুভূমিতে পরিনত হওয়া তিস্তায় এখন যৌবন ফিরে এসেছে। অসময়ে ভারত পানি ছাড়ায় অনেক ফসল বিনষ্ট হলেও অনেক বেকার জেলে নদীতে মাছ আহরন করে জীবিকা নির্বাহ করছে। জেলেরা প্রতিদিন ৫ শত টাকা হতে ১ হাজার টাকা আয় করছে।

দেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প তিস্তা সেচ প্রকল্প। উজানে ভারত বাঁধ নির্মান করে পানি প্রত্যাহার করায় এক সময়ের প্রমত্তা তিস্তা কঙ্কালসারে পরিনত হয়েছিল। ভারত অসময়ে জেলেদের ভাগ্যের চাঁকা ঘুরিয়েছে।

তিস্তার বুকেই ১৯৯৮ সালে ৯৬৯.৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে লালমনিরহাটের দোয়ানীতে নির্মান করা হয় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা সেচ প্রকল্প। প্রতিবেশী দেশ ভারত গজলডোবা ব্যারেজের মাধ্যমে একতরফা পানি প্রত্যাহার করে নেয়।

অসময়ে তিস্তা নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেক বেকার জেলের মুখে হাসি দেখা দিয়েছে। জেলেরা নদীতে মাছ আহরন করে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছে। আগের চেয়ে বর্তমান তিস্তা নদীর পানি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, এতে করে জেলেরা মাছ আহরন করে ভালো ভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে। ভারত সরকার অসময়ে পানি ছাড়ায় অনেক কৃষকের মেহনতের ফসল পানিতে বিনষ্ট হয়েছে। অপরদিকে বেকার জেলেদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মোন্নাফ বলেন, তিস্তা ব্যারেজে মোটামোটি পানি রয়েছে। এখন বৃষ্টিপাত হচ্ছে পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত পানি ছাড়ছে কিনা সে বিষয়ে এই কর্মকর্তা অবগত নয়।

Share





Related News

Comments are Closed