Main Menu

‘সাফাত-সাদমানকে জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের সত্যতা মিলেছে’

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট থেকে গ্রেফতার সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে জিজ্ঞাসাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টোরোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় ।

পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, ভিকটিমরা যাতে সুবিচার পেতে পারে সে জন্য সহায়ক তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে বলে তিনি তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে আশ্বাস দেন।

তিনি জানান, বাকি ধর্ষকদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে এবং তাদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে অভিযান শেষ হবে।

বনানীর আবাসিক হোটেলে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয় সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে রাতেই ঢাকায় আনা হয়।

সাফাত আহমেদ (২৬) আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে এবং সাদমান সাকিফ (২৪) রেগনাম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

এদিকে নাঈম আশরাফসহ ধর্ষণ মামলার অন্য আসামিরা যাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যেতে না পারে সেজন্য সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

গত ৬ মে বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন দুই তরুণী। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই তরুণীকে জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয়।

ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলেন- সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

 

 

Share





Related News

Comments are Closed