Main Menu

ছাতকে ইউপি চেয়ারম্যারম্যান-সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি

কামরুল হাসান সবুজ, ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ছাতকের কালারুকা ইউপি চেয়ারম্যারম্যান ও সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি ও একঘন্টা সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৭মে) বেলা ১টায় ইউনিয়ন পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ আলমের সভাপতিত্বে পরিষদের সমন্বয় সভা অনুষ্টিত হয়। হতদরিদ্রদের মধ্যে চাল ও নগদ ৫শ’ টাকা করে বিতরনের জন্যে অনুষ্টিত পরিষদের জরুরী সভা শুরুর প্রাক্কালে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কথাকাটাকাটির জের ধরে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ইউপি সদস্য ফজলু মিয়া জানান, গত ২মে’ নয় মেম্বারের অনুপস্থিতিতেই পরিষদের বাজেট ঘোষনা করা হয়। এছাড়া পরিষদের উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায় ১৫দিন আগে একইভাবে চেয়ারম্যানের সাথে তাদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে ৯ মেম্বারের অনুপস্থিতিতেই বাজেট ও হতদরিদ্রদের মালামাল বিতরনের এককভাবে উদ্যোগ নেন তিনি। এতে বাঁধা দেয়ায় চেয়ারম্যান গ্রামের সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে ইউপি কপ্লেক্সেই তাদের উপর হামলা চালানো হয়।
ইউপি সদস্য সদরুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যানের গ্রামের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে সকল সদস্যদের পরিষদ ভবনে একঘন্টা আটকে রাখলে পুলিশ এসে তাদেরকে উদ্ধার করে। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ আলম সদস্যদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের সাথে সংঘটিত একটি বিষয় সাবেক মেম্বার মানিক মিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। ঘটনার দিন হাসনাবাদ গ্রামের হাজি কদরুল ইসলাম ও সাবেক মেম্বার এনামুল হক বিষয়টি পূনরায় নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেন। এতে তিনি সায় দিলেও সদস্য সদরুল ইসলাম তা- মানতে রাজি হননি। এনিয়ে মধ্যস্থতাকারিদের সামনেই কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু করে প্রতিপক্ষরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
ছাতক থানার এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দু’পক্ষে মারামারি ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়া ছিল অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তবে তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছেন বলে দাবি করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed