Main Menu

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলার বুকে আজ চৈত্রের শেষ সূর্য ধরা দেবে। আজ চৈত্র সংক্রান্তি। ঋতুরাজ বসন্তের যেমন শেষ দিন ঠিক একইভাবে চৈত্রেরই শেষ দিন। আজকের যে সূর্যোদয় হবে তা বঙ্গাব্দ ১৪২৩-এর শেষ সূর্যোদয়। চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালির জীবন ও লোকাচারে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ পুরনোকে বিদায় জানিয়ে কাল সকালেই আসবে পয়েলা বৈশাখের নতুন ভোর। নতুন আলো নতুন প্রত্যাশা।

আজকের সূর্যাস্তের মধ্য দিয়েই বিদায় নেবে আরও একটি বাংলা বছর। আজ অতীতকে বিদায় জানানোর দিন, বিদায় জানানোর দিন সকল জরা, জীর্ণ আর মলিনতাকে।

চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বাংলার পথে প্রান্তরে নানা জায়গায় বসেছে মেলা। গান, বাজনা ও যাত্রাপালাসহ নানা আয়োজনে উঠে আসে লোকজসংস্কৃতির নানা সম্ভার। বর্তমানে শহুরে সভ্যতার বিস্তৃতির কারণে আবহমান গ্রামবাংলার আনন্দমুখর পরিবেশে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তবে এখন শহর ও তার আশপাশের এলাকায় নগর সংস্কৃতির আমেজে চৈত্র সংক্রান্তির উৎসব হয় ও মেলা বসে, যা এক সর্বজনীন মিলনমেলার রূপ নিয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা চৈত্র সংক্রান্তির আজকের এ দিনটিকে অত্যন্ত পুণ্যের দিন বলে মনে করেন। আচার অনুযায়ী এ দিনে বিদায় উৎসব পালন করে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়। দোকানপাট ধুয়ে-মুছে বছরের যত সব জঞ্জাল, অশুচিতাকে দূর করা হয়।

পরদিনই খোলা হবে ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশের নতুন খাতা- যার লোকায়ত নাম ‘হালখাতা’। ধূপ ধুনোর সুগন্ধিতে ভারি করে রাখা হবে ঘরের পরিবেশ। তাছাড়া অভ্যাগত এলেই গোলাপ পানি ছিটিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হবে।

রাজধানীর বুকে তাঁতিবাজার, শাঁখারীপট্টি, লক্ষ্মীবাজার, বাংলাবাজার, চকবাজার এলাকায় তাই এখন এ নিয়ে চলছে বিশেষ আয়োজন। পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা মিলল লাল মলাটের হালখাতা নিয়ে নতুন বছরের অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা।

Share





Related News

Comments are Closed