Main Menu

অবশেষে মেয়রের দায়িত্ব পেলেন আরিফুল হক চৌধুরী

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পর মেয়রের দায়িত্ব নিতে এবার মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: মাহমুদুল আলম স্বাক্ষরিত এক পত্রে বলা হয়, ‘আদালতের আদেশের যথাযথ প্রতিফলনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।’
আরিফুল হক চৌধুরী জানান, মন্ত্রণালয়ের চিঠি তিনি বৃহস্পতিবার হাতে পেয়েছেন। দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সিলেট নগরবাসী অনেক প্রত্যাশা নিয়ে তাকে মেয়র নির্বাচিত করেছেন। কিন্তু, নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তিনি অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারেননি। ফের দায়িত্ব নিয়ে নগরীর বিদ্যমান সমস্যাবলী সমাধানে সাধ্যমত চেষ্টা চালাবেন বলে জানান তিনি।
গত ২৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে হাই কোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম কাফি জানিয়েছিলেন, সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে করা রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনে বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ গত ২৩ মার্চ ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন। এ কারণে মেয়র হিসেবে আরিফুল হকের দায়িত্ব পালনে আইনগত কোনো বাধা আর নেই বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার কারান্তরীন হওয়ার পর ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি তাকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
বরখাস্তের ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আরিফুল হক চৌধুরীর করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে গত ১৩ মার্চ বরখাস্তের আদেশ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মেয়র পদে তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়। তবে ওই আদেশের স্থগিতাদেশ চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ।
২০১৩ সালে ১৫ জুন সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী। পরে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামী হিসেবে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আরিফ। ওইদিন আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
এরপর ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি মেয়র পদ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। মাঝখানে মায়ের অসুস্থতার কারণে ১৫ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিলো তাকে। দীর্ঘ ২ বছর ৫ দিন কারাভোগের পর গত ৩ জানুয়ারি তিন ফের জামিনে মুক্তি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন।

Share





Related News

Comments are Closed