Main Menu

চার শিশু হত্যা মামলা সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: হবিগঞ্জের বাহুবলে আলোচিত চার শিশু হত্যা মামলা সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস মামলাটি সিলেট আদালতে প্রেরণ করেন।

Manual2 Ad Code

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন জানান, গত বছরের নভেম্বর মাসে মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের জন্য স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশাসনিক আদেশ দেয়া হয়। কিন্তু কেন তা পাঠাতে বিলম্ব হয়েছে তা আমার বোধগম্য নয়। ওই আদেশের প্রেক্ষিতে মামলাটি মঙ্গলবার সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে। এ মামলায় মোট সাক্ষি রয়েছেন ৫৭ জন। এর মাঝে ইতিমধ্যে ৪৩ জনের স্বাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

উল্লেখ্য, বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া শুভ, তার চাচাতো ভাই তাজেল মিয়া, মনির মিয়া ও ইসমাইল মিয়া গত বছরের ১২ ফেব্রæয়ারী গ্রামের মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এর পরদিন বাহুবল থানায় সাধারণ ডায়রি করেন জাকারিয়া শুভর বাবা ওয়াহিদ মিয়া। ১৬ ফেব্রæয়ারী বাহুবল থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন মনিরের বাবা আব্দাল মিয়া।

Manual8 Ad Code

১৭ ফেব্রæয়ারী গ্রামের পার্শ্ববর্তী বালুর ছাড়া থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই অপহরণ মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়। ঘটনার দিনই গ্রেফতার করা হয় গ্রামের একটি পঞ্চায়েতের সর্দার আব্দুল আলী বাগালকে। এরপর একে একে আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশী তদন্তে বেরিয়ে আসে গ্রাম্য পঞ্চায়েত নিয়ে বিরোধের জের ধরে ওই চার শিশুকে খুন করা হয়।

তদন্ত শেষে মামলায় মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এর মাঝে বাচ্চু মিয়া নামে এক সিএনজি অটোরিকশা চালক র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। আর গ্রেফতারকৃত সালেহ আহমেদ ও তার ভাই বশির আহমেদের নাম তদন্তে না আসায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। বর্তমানে কারাগারে আটক আছে মামলার প্রধান আসামী আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ ওরফে সায়েদ ও অন্যতম সহযোগি হাবিবুর রহমান আরজু।

Manual5 Ad Code

মামলায় পলাতক রয়েছে উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়া। নৃশংস এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি দেশ বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে। মামলাটি হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে বিচারাধীন ছিল।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code