Main Menu

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের স্মারকলিপি

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা বাস্তবায়ন ও বেতন স্কেলের বৈষম্য দূর করে প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা, সার্ভিস বেনিফিট সহ বেতন নির্ধারন এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি চালুকরা সহ পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ রাহাত আনোয়ার এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ৯ মার্চ বৃহস্পতিবার স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী ৯ মার্চ ২০১৪ইং তারিখে এক যুগান্তকারী ঘোষণার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদায় উন্নিত করেন। ঘোষণার পর তিন বছর অতিবাহিত হলেও অদ্যাবধি দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা ও পদমর্যাদা অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ না করায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এছাড়া ১ম, ২য় ও ৩য় টাইম স্কেলপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণের চাকুরীকাল গণনা করে সার্ভিস বেনিফিটসহ বেতন নির্ধারনে বিভাগীয় সুস্পষ্ট নির্দেশনা জারি না করায় নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষকদের জীবনমান সমৃদ্ধ করেছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬১৯৩টি বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ ও ২০১৪ সালের ৯ মার্চ এক যুগান্তকারী ঘোষণার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদায় উন্নীত করেন। প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট প্রধান শিক্ষক সমিতির স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে দাবি বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে নির্দেশ দিলেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি মন্ত্রণালয়গেুলো। ৯ মার্চ ২০১৪ সালের প্রজ্ঞাপনে ভুলবশতঃ গেজেটেড শব্দ না থাকায় ২০১৫ সালের ১৮ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান শিক্ষকদের গেজেটেড পদমর্যাদা প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। এমতাবস্থায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষক পদের বেতন স্কেল জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ গ্রেডে পুনঃনির্ধারন করে ৯ মার্চ ২০১৪ সাল থেকে কার্যকর করা আবশ্যক। তাই অনতিবিলম্বে প্রধান শিক্ষকদের পাঁচ দফা দাবি পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি ও জেলা আহবায়ক মোঃ আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুগ্ম আহবায়ক সালিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি রীনা কর্মকার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালিক, সহ শিক্ষা সম্পাদক নুরুজ্জামান, সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, শিব্বির উসমানী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লোকমান হেকিম, জেলা যুগ্ম আহবায়ক আলতাফ হোসেন, শাহ ফারুক, নুরুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, মামুনুল ইসলাম মামুন, খলিলুর রহমান, বিমল পাল, বুরহান উদ্দিন আহমদ, আতাউর রহমান, সাইদুর রহমান, বশিরুজ্জামান চৌধুরী, জুয়েলী বেগম, জাফর ইকবাল, মুক্তার আহমদ, কবির উদ্দিন শামীম, সালেহ আহমদ, আব্দুল মালিক মামুন, শুয়াইবুর রহমান, হেলাল উদ্দিন, সাজিদুর রহমান, পঙ্কজ চৌধুরী, নূরুল আমিন, ফাতেমা জান্নাত লাকি, এটিএম সায়েম, সিরাজুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, ফয়সল আহমদ, ফরিদা বেগম, খালেদ আহমদ, অলিউর রহমান, এনাম উদ্দিন প্রমুখ।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code