Main Menu

সিলেটে জেলার ও ৬ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে মামলা

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সাবেক জেলার মাসুদ পারভেজ মঈন ও ছয় কারারক্ষীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি প্রমোদ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্প্রতি এ মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।
মামলার বাদী প্রমোদ ২০০৪ সালের ১৯ মে থেকে সিলেট কারাগারে অন্তরীন আছেন।
মাসুদ পারভেজ ছাড়াও মামলায় যাদের আসামী করা হয়েছে তারা হলেন- কারাগারের কারারক্ষী রুহুল আমিন, জাহাঙ্গির, নজরুল, মো. নাজিম, জিয়া উদ্দিন ও মো. জামাল উদ্দিন।
গত ১৯ জানুয়ারী সিলেটের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিল করা দরখাস্ত মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত বছরের ২৯ অক্টোবর আসামী রুহুল আমীন তাকে কারাগারের ক্যান্টিনে কাজ পাইয়ে দিতে ৬৮ হাজার টাকা নেন। দুই মাস পেরোলেও তাকে কাজ দিতে নানা টালবাহানা শুরু করেন ওই কারারক্ষী। গত ১ ডিসেম্বর কারাগার পরিদর্শনকালে জেলার মাসুদ পারভেজকে তিনি বিষয়টি অবগত করে টাকা ফেরত অথবা ক্যান্টিনে কাজ দেওয়ার কথা বলেন। ওই সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে তাকে গালাগাল করেন এবং দ্বিতীয় আসামী টাকা নেয়ার কথাও অস্বীকার করেন।
এক পর্যায়ে মাসুদ পারভেজ আসামীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তার টাকা চাওয়ার স্বাদ মিটিয়ে দেও। তখন আসামীরা তাকে লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে তাদের হাতে থাকা লাঠি ও বন্দুকের বাট ধারা আঘাত করতে থাকে। পরে তার চিৎকারে অন্য কারারক্ষী ও কয়েদীরা এগিয়ে এসে তাদের হাত থেকে তাকে রক্ষা করেন। পরে তাকে কারা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়।
অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, ওইদিনের ঘটনায় উল্টো তার নামে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন কারাগারের ডেপুটি জেলার নুর মোহাম্মদ সোহেল। যা কোতোয়ালী থানার জিআর মামলা নং ৩৭৫/২০১৬ নং-২।
আর্জিতে বাদী আরো উল্লেখ করেন, ঘটনার পরদিন জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে মূল ঘটনাকে ভিন্ন পথে পরিচালনার চেষ্টা করা হয়। এমতাবস্থায় জিআর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে আদালতের নির্দেশে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মামুনুর রহমান সিদ্দিকীর আদালতে মামলাটির শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পি ডাব্লিউ মূলে বাদীকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত বাদীর বক্তব্য শুনেন এবং বিষয়টির বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-১’কে নির্দেশ দেন।
জেলার মাসুদ পারভেজ মঈনকে সম্প্রতি রাঙামাটিতে বদলী করা হয়। তবে, এ আদেশ স্থগিত আছে। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি(ওএসডি) হিসাবে কর্মরত আছেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code