Main Menu

সিলেটের ৫ উপজেলায় অবৈধ স্টোন ক্রাসিং মেশিন উচ্ছেদের নির্দেশ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের পাঁচ উপজেলায় পাথর ভাঙার অনুমোদনহীন সব মেশিন (স্টোন ক্রাশিং মেশিন) উচ্ছেদের রায় দিয়েছে হাই কোর্ট।
একইসঙ্গে অনুমোদিত মেশিনগুলোর জন্য একটি ‘জোন’ তৈরি করে আগামী তিন মাসের মধ্যে সেগুলো সেখানে স্থানান্তর করতে বলা হয়েছে রায়ে।
রায় বাস্তবায়নের বিষয়ে তিন মাস পর একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রায় দেয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) রিট আবেদনে দেওয়া এক রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেয়।
পাঁচটি উপজেলা হলো সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট।
রিট আবেদনকারী সংগঠনের আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী বলেন, “অননুমোদিত মেশিন উচ্ছেদ করতে বলা হয়েছে রায়ে।
“আর অনুমোদিত মেশিনগুলোকে স্টোন ক্রাশিং মেশিন স্থাপনের যে নীতিমালা আছে সে অনুযায়ী একটি জোন করে সেখানে স্থানান্তর করতে বলা হয়েছে। সরকারকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে এটি করতে বলেছে আদালত।”
২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি সিলেট জেলার পাঁচটি উপজেলায় ছাড়পত্রহীন পাথর ভাঙার মেশিন অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট।
সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে এই আদেশ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এরপর ২০১৫ সালের ৮ জুলাই বেলা পরিবেশগত ছাড়পত্রহীন এসব মেশিন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট আবেদন করে।

এতে বলা হয়, উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ ও হাসপাতালের আশেপাশে মেশিন স্থাপন করে পাথর ভাঙার কারণে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।
ওই আবেদনের শুনানি করে ২০১৫ সালের ৩ অগাস্ট রুল জারি করে হাই কোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ।
রিট আবেদনে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভূমি সচিব, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রধান বন সংরক্ষকসহ ২১ জনকে বিবাদী করা হয়।
রিট আবেদনে জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়, সিলেটে ৬০৬টি স্টোন ক্রাশার মেশিনের মধ্যে ২১৩টির ছাড়পত্র রয়েছে। ৩৯৩টির ছাড়পত্র নেই, এর মধ্যে ১৫০টির জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, পাথর ভাঙার এই মেশিনের কারণে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি শিশু ও বৃদ্ধদের শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগ বাড়ছে।

Share





Related News

Comments are Closed