Main Menu

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: শাবিপ্রবির ভাইস চ্যান্সেলর আমিনুল হক ভুইয়া বলেছেন, একজন ভালো চিকিৎসক হতে হলে দক্ষতা প্রয়োজন। দক্ষতা অর্জন করার মাধ্যমে মানুষের সেবা করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের ভালো চিকিৎসক হয়ে সুনাম অর্জন করতে হবে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলের মেয়েদের জন্য আদর্শ মেডিকেল কলেজ হলো সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ। এই কলেজে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাই। মেডিকেল কলেজে পড়াশুনা করা একেবারেই সহজ। এজন্য প্রতিটি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে ও ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে হবে। সকলের প্রতি সেবা করার মানসিকতা ও সহমর্মিতা থাকতে হবে। ভয়কে জয় করতে পারলে ভবিষ্যতে ভালো করবে শিক্ষার্থীরা।
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
বৃহস্পতিবার সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের সেমিনার হলরুমে এ নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো: রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও কলেজের শিক্ষিকা ডা. তাজকিয়া সুলতানা বকস ও ডা. কান্তা দেবের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাবিপ্রবির স্কুল অব মেডিকেল সায়েন্সের ডীন অধ্যাপক ডা. মোরশেদ আহমেদ চৌধুরী, হলি সিলেট হোল্ডিং লি: এর ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বশির আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহ মো. আব্দুল আহাদ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) তোজাম্মেল হক। সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের পেশ ইমাম মাওলানা জামাল আহমদের পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় শিক্ষক মন্ডলীর পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন, ডা. মো. নজরুল ইসলাম ভুইয়া, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগীয় অধ্যাপক ডা. সকিনা খাতুন, ফিজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো: মাসুদুল আলম। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের একাডেমিক কো অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. মৃগেন কুমার দাশ চৌধুরী ও কলেজ পরিচিতি তুলে ধরেন চক্ষু বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এ সালাম। নতুন ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুনিরা আল ইসলাম, আকসা ও অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট সমিউল আলম, মিসেস রুজ খান প্রমুখ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা বশির আহমেদ বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বলে দেশে অনেক মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষের সেবার চেয়ে বড় ইবাদত আর হতে পারেনা। আল­াহ তায়ালা মানুষের সেবা করতে আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। একটা ক্লাস মিস করা মানে জীবনের একটা অধ্যায় মিস করা। তাই তোমাদেরকে নিয়মিত ক্লাস করতে হবে।
অভিভাবকের বক্তব্যে এডভোকেট সমিউল আলম বলেন, শিক্ষার মান বজায় রেখে ছাত্রীরা ডাক্তার হয়ে বের হবে। মানুষের সেবা একটি উত্তম সেবা। এই কাজটি করার সুযোগ রয়েছে একজন ডাক্তারের। অভিভাবক হয়ে কামনা করি আমার মেয়ে যেন ভালো ফলাফল করতে পারে।
ডীন অধ্যাপক ডা. মোরশেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমরা সব শিক্ষকরা তোমাদের অভিভাবক। মেডিকেলের মধ্যে সরকারি আর বেসরকারি বলে কোন কথা নেই। সবগুলোই হচ্ছে মেডিকেল শিক্ষাব্যবস্থা। সকল শিক্ষার্থী ছাত্রীরাই এই কলেজের প্রাণ। মানব সেবার মাধ্যমে সমাজ থেকে সকল দুঃখ কষ্ট দূর করতে হবে। এজন্য অভিবাবকদের তাদের সন্তানদের প্রতি সচেতন হতে হবে। তাদের সন্তানরা যেন একদিন ভালো চিকিৎসক হয়ে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত করতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ডা. মো: রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষকদের উপদেশ মানতে পারলে কাংকিত লক্ষ্যে পৌছতে পারবে। মেধার থেকে পরিশ্রম বড়। নিয়মিত ক্লাস করলে পাশ করা সম্ভব। শিক্ষকদের ভয় না পেয়ে মন দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে টার্গেট ফিক্সড করতে হবে। শিক্ষকদের কথা শুনলে ৫ বছরের মধ্যে কোর্স সম্পন্ন করতে পারবে। নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগতম এবং আগামীতে আমাদের চেয়ারগুলো তারাই দখল করবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code