Main Menu

বিশ্বনাথে ব্যাটারী চালিত রিকশা বন্ধ, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

Manual1 Ad Code

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: বিশ্বনাথে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ব্যাটারী চালিত রিকশার বিরুদ্ধে অভিযানের সঙ্গে সঙ্গে ভাড়া নিয়ে চরম নৈরাজ্য শুরু করেছে প্যাডেল রিকশা চালকরা। ব্যাটারী চালিত রিকশা বন্ধের সুযোগ নিয়ে দু থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া হাঁকছে তারা। এমন অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। ব্যাটারী চালিত রিকশা উপজেলা সদরে একে বারে নেই বললেই চলে। ফলে প্যাডেল রিকশার সংখ্যা কম থাকায়, এলাকার লোকজন, কলেজ, স্কুল, অফিসগামী মানুষকে এখন পুহাতে হচ্ছে দূর্ভোগ। গত ৪ জানুয়ারী উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে কয়েকটি রিকশার ব্যাটারী জব্দ ও জরিমানা করা হলে অনেকটাই ‘আত্মগোপনে’ চলে গেছে অধিকাংশ রিকশা। অভিযানের পর থেকে উপজেলা সদরে ব্যাটারী চালিত রিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অটোরিকশা বন্ধের প্রতিবাদে গত বুধবার উপজেলা সদরে শ্রমিক জনতার ব্যাপারে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
জানা গেছে, ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল বিভিন্ন মহলে। ঝুঁকিপূর্ণ এই যানটি বিদ্যুৎ অপচয়ের একটি বড় মাধ্যম। বিশ্বনাথে রাজপথে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল শুরু হয় বছর তিনেক আগে থেকে। উপজেলা থেকে বিভিন্ন সড়কে নিয়মিত যাত্রীবহনকারী প্রায় কয়েকশত ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা অভিযানের দিন ৪ জানুয়ারী দুপুর থেকে উধাও হয়ে যায়।
বিভিন্ন রাস্তায় চলাচলকারী ব্যাটারী চালিত অটো রিকশাগুলো না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। কারণ প্যাডেল চালিত রিকশার সংখ্যা এলাকায় কম। ব্যাটারী চালিত রিকশা এলাকায় আসার পরপরই কমে যায় প্যাডেল চালিত রিকশা। উপজেলার সড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরিন রাস্তায় প্রায় কয়েকশত ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করে। গত বুধবার দুপুরে আকস্মিকভাবে ব্যাটারী চালিত অটো রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে ব্যাটারী চালিত অটো রিকশাগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যান মালিক ও চালকরা। ফলে ওইদিন দুপুরে রাস্তায় ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা চলাচল করেনি। হঠাৎ করে রাস্তা থেকে রিকশা উধাও হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
উপজেলা ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা মালিক ও শ্রমিক সমিতির সভাপতি মোস্তকা আহমদ খান বলেন, হঠাৎ করে প্রশাসনের এমন অভিযানে রিকশার মালিক ও চালকদের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। ফলে রিকশা নিয়ে চালক রাস্তায় বের হচ্ছেনা।
রিকশা নিয়ে রাস্তায় নামতে না পারায় চালকরা বেকার হয়ে পড়েছেন। মালিকরা কিস্তির টাকা পরিশোধ করা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বেকার চালকদের কথা চিন্তা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার বিশিষ্টজনকে ব্যাটারী চালিত রিকশা চলাচলের সুযোগ দেয়ার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিতাভ পরাগ তালুকদার বলেন, ব্যাটারী চালিত রিকশা চলাচলের কোনো বৈধতা নেই। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code