কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন মেয়র আরিফুল হক
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: দীর্ঘ আইনী প্রক্রিয়া শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের বহিস্কৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। ২ বছর ৫ দিন কারাভোগের পর বুধবার বিকাল ৫ টা ১৫ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান আরিফুল হক।
এর আগে সকালে সিলেট দায়রা জজ মনির আহমদ পাটেয়ারীর আদালতে আরিফুল হক চৌধুরীর উপস্থিতিতে জামিনের কাগজপত্র প্রদর্শন করেন তার আইনজীবীরা।
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামী হিসেবে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আরিফ। ওইদিন আদালত তাঁর জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
এরপর থেকেই কারাবন্দি আছেন আরিফ। মাঝখানে অবশ্য মায়ের অসুস্থতার কারণে ১৫দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিলো তাকে।
আরিফুল হক সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এম এস কিবরিয়া ছাড়াও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বিস্ফোরণ ও হত্যা মামলারও আসামী। এই দুটি ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক মামলাসহ মোট চারটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন আরিফুলক হক চৌধুরী।
এদিকে, আরিফ মুক্তি পেতে যাচ্ছেন এই সংবাদে দুপুর থেকেই সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে ভিড় করেন গণমাধ্যমকর্মী ও আরিফের ঘনিষ্টজনেরা।
আরিফ মুক্তি পেতে যাচ্ছেন সে আভাস মিলেছিল বুধবার সকালেই। এসময় সিলেট দায়রা জজ মনির আহমদ পাটেয়ারীর আদালতে আরিফুল হক চৌধুরীকে হাজির করা হয়। এসময় আসামীপক্ষ আদালতে আরিফের জামিনের কাগজপত্র প্রদর্শন করেন। আদালতও মুক্তিতে সম্মতি জানান। এরপর আরিফের মুক্তির কেবল সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছিলেন তাঁর আইনজীবীরা।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচ জন। এ ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুইটি মামলা করা হয়।
২০১৪ সালের গত ২১ ডিসেম্বর আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
এদিকে ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা হলে এক যুবলীগকর্মী নিহত হন। দুটি মামলাতে আসামী করা হয়েছে আরিফ ও গৌছকে। ২০১৩ সালের ১৫ জুন সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচিত হওয়ার প্রায় দেড় বছরের মাথায় আরিফুল হক ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর কারাবন্দী হন। কারাবন্দী হওয়ার পর ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি তাঁকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
Related News
সিলেটে পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) লঙ্ঘনের দায়ে সিলেটের ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোটRead More
সিলেট বেতার কমপ্লেক্স থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীর মিরের ময়দান এলাকায় বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্রের কমপ্লেক্সের ভেতর থেকেRead More



Comments are Closed