Main Menu

শাবির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াত চক্রের বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ

শাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এবারের ভর্তি পরীক্ষায় জড়িত জালিয়াত চক্রের বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক অবরোধ করেছে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
রোববার দুপুর ১২টায় ক্যাম্পাসের এক কিলো রোডের গোলচত্বরে শিক্ষার্থীরা অবস্থান করে রাস্তা অবরোধ করে। এ সময় ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াত চক্রের সাথে জড়িতদের বিচার, এ ঘটনায় প্রশাসনের অস্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের সাথে অশোভন আচরণের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত এ কর্মসূচি পালন করে তারা। রাস্তা অবরোধ করায় ক্যাম্পাসে কোন বাস চলাচল করতে পারেনি বলে ক্যাম্পাসের একাধিক সূত্রে জানা যায়।
ক্যাম্পাস সূত্র আরও জানায়, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে দুপুর ১২টায় ক্যাম্পাসের গোলচত্ত্বর এলাকায় শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকে। পরে তারা এক ঘণ্টা অবস্থান করে এখানে। এসময় ক্যাম্পাসের কোন বাস বাইরে যেতে পারেনি। অল্প সময়ের জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিড়ম্বনায় পড়ে বলে জানা যায়।
পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা আন্দোলনস্থলে এসে বিকালে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করার আশ^াস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয় এবং ক্যাম্পাসে এক বিক্ষোভ মিছিল করে তারা।
গত এক সপ্তাহ ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও শাবি প্রশাসন তাদের দাবিতে কোন কর্ণপাত করছে না বরং উল্টো হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে জানান একাধিক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী।
ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর মুন্সী নাসের ইবনে আফজাল বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। অতি দ্রুত তদন্ত কমিটি রিপোর্ট পেশ করবে বলে শিক্ষার্থীদের আশ^স্ত করেন বলে জানান তিনি।
এদিকে, গত ৪ ডিসেম্বর শাবি উপাচার্য বরাবর এক স্মারকলিপির মাধ্যমে ৫টি বিষয়ের সুস্পষ্ট ধারণা প্রত্যাশা করেন শিক্ষার্থীরা। তবে শাবি প্রশাসনের সব কার্যক্রম অস্বচ্ছ ও গাঁ এড়ানো বলে উল্লেখ করেন শিক্ষার্থীরা।
জালিয়াতের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক আখতারুল ইসলাম বলেন, আমার ব্যস্ততার কারণে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় আমি অংশগ্রহণ করিনি। তবে তদন্তের কাজ চলছে এবং রিপোর্ট অতিদ্রুত পেশ করা হবে বলে জানান তিনি।
শাবি প্রশাসনের সাথে আলোচনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী দীপঙ্কর কপিল দে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
গত ২৬ নভেম্বর শাবির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি চেষ্টায় কমপক্ষে ৮ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হচ্ছে ভর্তিচ্ছুক ৫ পরীক্ষার্থী, বগুড়ার ‘গুগল’ কোচিংয়ের সহকারী পরিচালক আবির ওরফে তুহিন ওরফে জিহান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইশরাত ইমতিয়াজ হৃদয়।
এছাড়া শাবির ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রথমবর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী আল আমিন। সে শাবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম নিয়ন্ত্রিত শাহপরাণ হলের ২১০ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা এবং সক্রিয় কর্মী।

Share





Related News

Comments are Closed