Main Menu

কানাইঘাটে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিলগালা

কানাইঘাটে (সিলেট) সংবাদদাতা: কানাইঘাট উপজেলার গাজী বোরহান উদ্দিন বাজারে লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার পরিচালনার দায়ে ৪ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদী সাজা প্রদান করা হয়েছে। সাজার পাশাপাশি ক্লিনিক এবং স্যাটেলাইট ক্লিনিক ও ল্যাব সিলগালা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া মোবাইল কোর্টের নেতৃত্বে ছিলেন।
সূত্র মতে, ম্যাজিস্ট্রেট তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া সোমবার বেলা ২টায় সরেজমিনে বোরহান উদ্দিন বাজারে গিয়ে দেখতে পান সেখানে লাইসেন্স ছাড়াই বোরহান উদ্দিন মেটারনিটি ক্লিনিক ও ডক্টরস চেম্বারে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছেন উপজেলার শাহপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ‘পড়ুয়া ডাক্তার’ আব্দুল কাদের। একই বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে আনোয়ারা স্যাটেলাইট ক্লিনিক ও ল্যাব পরিচালনা করছেন স্থানীয় মির্জারগড় গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র ফয়জুল আমিন। এর সাথে জড়িত ছিলেন মেডিকেল প্র্যাকটিশনার জাহেদুল হাসান ও আবদাল মিয়া। এ সময় এ দু’টি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কর্মরতদের বৈধ চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া দেখাতে চাইলে তারা দেখাতে পারেনি। পরে তিনি দু’টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেন এবং লাইসেন্স ব্যতীত অপচিকিৎসার দায়ে বোরহান উদ্দিন মেটারনিটি ক্লিনিক ও ডক্টরস্ চেম্বারের মালিক আব্দুল কাদের, আনোয়ারা স্যাটেলাইট ক্লিনিক ও ল্যাবের ম্যানেজার ফয়জুল আমিন, ল্যাব টেকনেশিয়ান জাহেদুল হাসান ও আবদাল মিয়াকে তাঁর কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। লাইসেন্স ছাড়া চিকিৎসা প্রদানের অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আব্দুল কাদের ও ফয়জুল আমিনকে এক মাসের কারাদন্ড প্রদান ও জাহেদুল হাসান, আবদাল মিয়াকে ৭ দিনের সাজা প্রদান করেন।
সাজা প্রাপ্তদের কানাইঘাট থানা পুলিশ জেল হাজতে পাঠিয়েছে। অভিযানকালে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবুল হারিছ, উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ, কানাইঘাট থানার এস.আই জুনেদ আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

Share





Related News

Comments are Closed