Main Menu

শ্রীমঙ্গলে রেলের ভূমি উদ্ধার অভিযানে বাধা

নূরউদ্দীন আহমেদ, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: শ্রীমঙ্গলে অবৈধ দখলদারদের বাধার মুখে রেলের ভূমি উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। রেল বিভাগ কর্তৃক ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে সোমবার সকালে পূর্ব নির্ধারিত সময়ে রেলের এস্টেট বিভাগের কর্মকর্তারা লোকবল নিয়ে মাঠে নামলেও কিছু টং দোকান ছাড়া বেশিরভাগ বেদখল জমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ না করেই অভিযান শেষ করেছে।
সকালে অভিযান শুরু করে বেশ কিছু টং দোকান উচ্ছেদ করে অভিযানকারীরা। দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ভানুগাছ সড়কের সম্প্রতি দখল করা রেলের প্রায় সোয়া ৩ একর ভূমি উদ্ধারে অভিযানে নামলে মুক্তিযোদ্ধা কৃষি নার্সারি প্রকল্পের ব্যানারে স্থানীয় কতিপয় মুক্তিযোদ্ধা বাধা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রেল বিভাগের শ্রমিকরা বাঁধা উপেক্ষা করে মুক্তিযোদ্ধা কৃষি নার্সারি প্রকল্প উচ্ছেদ করতে সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেললে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাক-বিতন্ডা ও পরে ধস্তাধস্তি হয়। এতে উক্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় ভানগাছ রোডের রেল গেইট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও রেল কর্মকর্তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা চলাকালে কতিপয় লোকজন দখলকৃত জমির প্রধান ফটকে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টাঙ্গিয়ে দেয়। এঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাঁধার মুখে পড়ে রেল বিভাগের কর্মকর্তারা সেখানে লাল নিশানা লাগিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শেষ করে চলে যায়।
মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আসলাম জানান, রেলের লোকজন উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাদেরকে উচ্ছেদ করতে এসেছে। এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের উপর হামলার অভিযোগ করে তিনি বলেন, নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এখানকার ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধা এই জমি লিজ নিয়ে কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন। রেল বিভাগের উদ্দেশ্যমূলক এই উচ্ছেদ কর্মকান্ডে স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বাঁধা দেয়।
এ ব্যাপারে রেলের বিভাগীয় এস্টেট অফিসার এসএম রেজাউল করিম বলেন, আমরা উচ্ছেদ করতে এসে অবৈধ দখলদারদের বাঁধার মুখে পড়েছি। তবে রেলের বেদখল জমি উদ্ধার অভিযানের পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বেদখল জমির সীমানা চিহ্নিত করে লাল ঝান্ডা লাগানো হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed