Main Menu

কানাইঘাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর মাটিচাপা

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় নিখোঁজের ৫দিন পর ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী সুলতানার মাটিচাপা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রামের তিন বখাটে যুবক সুলতানাকে অপহরনের পর পালাক্রমে ধর্ষণ করে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে মোকাম টিলা নামক স্থানে মাটি চাপা দিয়ে রাখে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মোকাম টিলা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
সুলতানা কানাইঘাট উপজেলার ১নং ইউনিয়নের এরালিগুল গ্রামের তেরা মিয়ার কন্যা ও ছোট ফৌদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী।
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় গত রবিবার সকালে সুলতানা (১০) মসজিদের মক্তবে পড়তে যায়। মক্তবের পড়া শেষ করে সে বাড়িতে ফেরার সময় বড় খেয়ড় গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে আবুল হোসেন (২৫), রাসেল (২৫) ও নারাইনপুর গ্রামের মস্তক হোসেন (২৬) তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়। এ থেকে সে নিখোজ ছিল। এরপর থেকে সুলতানার পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনসহ অনেক জায়গায় খোজাখুজি করে সন্ধান না পেয়ে পরদিন সোমবার তারা সুলতানার সন্ধানে স্থানীয় মসজিদের মাইকে এলান করেন। পরে বিশেষ সূত্রে সুলতানার ভাই একলিম উদ্দিন স্থানীয় লোকজন নিয়ে আবুলের বাড়িতে সন্ধান চাইতে গেলে তারা অস্বীকার করে নানা টাল বাহনা করে। উপায়ান্তর না পেয়ে তারা মঙ্গলবার ইউপি সদস্য মজুর উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে বিষয়টি অবগত করলে গ্রামবাসী সুলতানার সন্ধান পেতে তাদেরকে সহযোগীতা করে। এক পর্যায় বৃহস্পতিবার সকালে আবুলের পরিবার গ্রাম ছেড়ে গা ঢাকা দেওয়ায় সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আবুল হোসেন, রাসেল ও সাদেক হোসনকে আটক করে তাদের দেয়া তথ্যমতে সুলতানার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা সুলতানা হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে লোমহর্ষক বর্ননা দেয় । তারা সুলতানাকে অপহরনের পর পালাক্রমে ধর্ষণ করে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে মোকাম টিলা নামক স্থানে মাটি চাপা দিয়ে রাখে।

Share





Related News

Comments are Closed