Main Menu

বিশ্বনাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগের তিন নেতা কারাগারে

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথ থানা অভ্যন্তরে একজন ম্যাজিস্ট্রেট ও ওসির উপর সন্ত্রাসী হামলার চাঞ্চল্যকর মামলার আড়াই বছরের সাজাপ্রাপ্ত যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও প্রজন্মলীগের তিন নেতাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন আদালত। মামলার রায়ের ১৬ মাস পর তিনজন আসামী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
সিলেটের ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল হায়দার এর আদালত ২০ আগস্ট মঙ্গলবার এ আদেশ প্রদান করেন।
আত্নসমর্পনকারী নেতারা হলেন- বিশ্বনাথ উপজেলা যুবলীগের সদস্য আবদুল আজিজ সুমন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মহিবুর রহমান সুইট, উপজেলা প্রজন্মলীগের আহবায়ক তোফায়েল আহমদ উরফে কামাল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন আসামি পক্ষের আইনজীবি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও বিশ্বনাথ উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারী বিশ্বনাথ থানা পুলিশ বিভিন্ন মামলায় জব্দকৃত গাড়ী নিলামের ব্যবস্থা করে। তখন কতিপয় সন্ত্রাসী নিলাম ছাড়াই বেশ কয়েকটি গাড়ী জোরপূর্বক নিতে চাইলে ওসি রকিবুল ইসলাম ও নিলাম ডাকে উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা ম্যাজিস্ট্রেট ও ওসির উপর হামলা চালায়। তারা ওসি ও ম্যাজিস্ট্রেটকে চেয়ার দিয়ে লাঞ্জিত, থানায় ভাংচুর ও সরকারী কাজে বাঁধা দিয়ে ত্রাসের সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় থানার এসআই টিপু সুলতান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন (থানার মামলা নং-১৫, তাং-২৭/০১/২০১৪ ইং, বিশ্বনাথ জি.আর নং-১৫/১৪ ইং)। আসামিরা মামলা দায়েরের পর থেকে আদালতে হাজিরা দেয়নি।
২০১৫ সালের ২৪মে সিলেটের ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হোসেন চৌধুরীর আদালত দণ্ডবিধি ৩৫৩/৪২৭/৩৪ ধারা মোতাবেক এজাহার নামীয় আসামী বদরুল আলম, মুহিবুর রহমান সুইট, আব্দুল আজিজ সুমন এবং তোফায়েল আহমদকে আড়াই বছরের সাজা ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদানের রায় ঘোষণা করেন। আদালত থেকে সাজা পরোয়ানা থানায় যাওয়ার পরও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেনি। চলতি মাসের প্রথমদিকে সাজাপ্রাপ্ত চার আসামীর মধ্যে বদরুল আলমকে র‌্যাব গ্রেফতার করে বিশ্বনাথ থানায় সোপর্দ করলে থানা পুলিশ তাকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করে এবং সে জামিনে মুক্তি লাভ করে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওসি আব্দুল হাইকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেন। উক্ত আসামীদের সাজা পরোয়ানা থানায় থাকলেও পুলিশের সামনেই তারা নিয়মিত চলাফেরা করে আসছিল বলে একাধিক স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে ।

 

 

 

 

 

Share





Related News

Comments are Closed