Main Menu

সিলেটে মা ও শিশুর মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: মিডওয়াইফারি অপেন স্কুল ২০১৫ উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী মা ও শিশুদের সেবা প্রদান, গান, নাটক, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সিলেট সদর উপজেলার খাদিমপাড়া এফআইভিডিবি’র মাঠে ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি ডেভলপিং মিডওয়াইভস প্রোজেক্ট ও ডিপার্টমেন্ট অফ মিডওয়াইফারি অ্যান্ড নার্সিং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও এফআইভিডিবি’র সহযোগিতায় প্রায় ৫০০ মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবায় পরামর্শ দেয়া হয়।
আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সারাবিশ্বে প্রতিবছর ৩ লাখ ৫০ হাজার গর্ভকালীন মা সন্তান জন্মদানের সময় মারা যান। বাংলাদেশে প্রতিবছর লাখে ১ হাজার ৯৪ জন মা জীবিত বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান। সারাদেশে দক্ষ মিডওয়াইফ আছেন ১৮০ জন। কিন্তু দক্ষ মিডওয়াইফের প্রয়োজন ২০ হাজার। যে কারণে সারাদেশে মা এবং শিশু মৃত্যুর হার অনেক বেশি।
বক্তারা বলেন, সারাদেশের মধ্যে মা ও শিশুর মৃত্যুর হার সিলেটে সবচেয়ে বেশি। ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী প্রতিবছর সিলেটে ৪২৫ জন মা-শিশু মারা যান। বাংলাদেশে শিশুর মৃত্যুর হার কিছুটা কমলেও মাতৃকালীন মৃত্যুর হার বেড়েছে। মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা সম্ভবপর হবে বলে বর্তমান সরকার আশাবাদী। দেশের উন্নয়ন সূচক বাড়বে মা ও শিশুর মৃত্যু হার কমাতে পারলে।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন এফআইভিডিবির নির্বাহী পরিচালক যেহীন আহমদ, সিএমডিপি ও এফআইভিডিবির পরিচালক জাহিদ হোসেন, সম্বনয়কারী মো. আজি বাহার, ফাইন্যান্স এন্ড অ্যাডমিন কর্মকর্তা আশফাক হোসেন, ফাতেমাতুজ লুপা, সুজাতা দাস, সালমা আক্তার, সুনিয়া আক্তার, আমিনা বেগম, হোস্টেল সুপার ফরিদা ইয়াসমিন ও আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
মা ও শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষায় ৫টি স্টলে প্রায় ৫০০ মা ও শিশুকে নবজাতক এবং শিশুর সেবা প্রদান, পরিবার পরিকল্পনা পরামর্শ প্রদান, উন্নত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রেরণে পরামর্শ, গর্ভকালীন পরামর্শ, শারীরিক ও মানসিক সেবা প্রদান, নারী প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed