দক্ষিন সুরমায় তদন্তকালে কাজীর পলায়ন
বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদ মোস্তফা কাজীর বৈধতা বিষয়ে তদন্তে গেলে ঘটনাস্থল থেকে কাজী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। গত ১৭ আগস্ট বুধবার কাজী মোহাম্মদ আবু বকরের অবৈধ কার্যকলাপ সরেজমিনে তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২৬ নং ওয়ার্ডের ভার্থখলার স্টেশন রোডে অবস্থিত কাজী টেইলার্সে যান। এ সময় কাজী মোহাম্মদ আবু বকর ও তার ভাই আলতাফুর রহমান আনছার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। তাদের দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখে আশপাশের দোকানের লোকজন কাজী টেইলার্সের সামনে জড়ো হন। পরে নির্বাহী অফিসার উপস্থিত লোকজনদের কাছ থেকে কাজী মোহাম্মদ আবু বকর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন এবং কিছু কাগজপত্র জব্ধ করে নিয়ে যান। তিনি জানান, কাগজপত্র দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে ২৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজী মোহাম্মদ তৌফিক বকস লিপন জানান, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। কাজীকে হাতেনাতে ধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য, বরইকান্দি ইউনিয়নে পিরোজপুরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে গত ৯ আগস্ট এক বাল্য বিবাহ সম্পন্ন হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদ মোস্তফা সেন্টারে পৌছার আগেই কাজী সটকে পড়েন। যে সকল কাজী বাল্যবিবাহ রেজিস্ট্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
এরপর গত ১৪ আগস্ট উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় কাজী মোহাম্মদ আবু বকর ২৬নং ওয়ার্ডে অবৈধভাবে কাজী অফিস স্থাপন করে দীর্ঘ দিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এমন তথ্য উত্থাপিত হলে এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপির নির্দেশের প্রেক্ষিতে ১৭ আগস্ট বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদ মোস্তফা সরেজমিনে ঘটনার তদন্তে জন্য ২৬নং ওয়ার্ডের ভার্থখলার স্টেশন রোডে অবস্থিত কাজী টেইলাইর্সে যান। এ সময় কাজী মোহাম্মদ আবু বকর ও তার ভাই আলতাফুর রহমান দৌড়ে পালিয়ে যায়।
জানা যায়, ২০০৫ সালে কাজী মোহাম্মদ আবু বকর এর লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও ভুয়া লাইসেন্স এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজীর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি নগরীর ২৬নং ওয়ার্ডে কাজী অফিস স্থাপন করে ওয়ার্ডের মধ্যে অবস্থিত সেন্টারগুলোতে প্রভাব খাটিয়ে বিবাহ রেজিস্ট্রারীর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় কাজী অফিস সরানোর জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করলে, বিগত ২০০৫ সনে চতুরতার আশ্রয় নিয়ে কাজী অফিসের নাম কাজী টেইলার্স লিখে এখন কাজীর কাজ করছেন।
Related News
বিশ্বনাথে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কছির আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকেRead More
বিশ্বনাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে সমন্বয়Read More



Comments are Closed