Main Menu

সিলেটে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন- উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনী পরিচয়ে কোন অভিযোগ ছাড়াই মানবতাবিরোধী অপরাধের মত একটি স্পর্শকাতর মামলার একজন ডিফেন্স আইনজীবিকে তুলে নেয়া কোন বিবেকবান সরকারের আইনশৃংখলা বাহিনীর কাজ হতে পারেনা। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে অন্যায়ভাবে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মিথ্যা মামলায় কারান্তরীন মীর কাশেম আলীর ছোট ছেলে ও তাঁর মামলার ডিফেন্স আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে তার বাসা থেকে তুলে নেয়া হলো। ৬দিন পেরিয়ে গেলেও আইনশৃংখলা বাহিনী এখন পর্যন্ত তাকে আটকের কথাও স্বীকার করছেনা। তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করার জন্য আবেদন করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষের জিডি গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ প্রমান করে সরকার ব্যারিষ্টার আরমানকে নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্বশুন্য করতে সরকার অনেক ষড়যন্ত্র করেছে এখন বিচার কাজে নিয়োজিত আইনজীবিদের নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করা হচ্ছে। কোন ষড়যন্ত্রই ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারবেনা। অবিলম্বে ব্যারিষ্টার আরমানকে অক্ষত অবস্থায় তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।
জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য কারাবন্দী মীর কাশেম আলীর ছোট ছেলে ব্যারিষ্টার আরমানকে তুলে নেয়ার প্রতিবাদে ও অবিলম্বে অক্ষত অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার দাবীতে মঙ্গলবার নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সিলেট মহানগর জামায়াত। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মো: শাহজাহান আলী, জামায়াত নেতা চৌধুরী আব্দুল বাছিত নাহির, রফিকুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র শিবির সিলেট মহানগরী সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
নেতৃবন্দ বলেন- ব্যারিষ্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে এক দল লোক গত ৯ আগস্ট দিবাগত রাত ১১টার পরে তার বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। গতকাল ১৫ আগস্ট পর্যন্ত তাকে আদালতে হাজির না করায় কিংবা তার কোন সন্ধান না দেওয়ায় তার পিতা-মাতাসহ পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন এবং আমরা সকলেই গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করার জন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু ৬দিন অতিবাহিত হওয়া সত্তে¡ও ব্যারিষ্টার আরমানকে ফিরিয়ে না দেয়া সরকারের নতুন ষড়যন্ত্রেরই অংশ। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি না দেখিয়ে অবিলম্বে ব্যারিষ্টার আরমানকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

Share





Related News

Comments are Closed