Main Menu

বিশ্বনাথে হোসেনপুর-মুফতির বাজার সড়কের বেহাল দশা

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ‘হোসেনপুর-মুফতির বাজার’ সড়ক পাকাকরণের পর পেরিয়ে গেল প্রায় এক যুগ। সড়ক পাকাকরণের বছর খানেক পর শুরু হয় ভাঙ্গন। আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে ভাঙ্গনের পরিমাণ। বর্তমানে এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সড়কের প্রায় পুরো অংশেই উঠে গেছে কার্পেটিং। ফলে বেড়েছে জনদূর্ভোগ। বৃষ্টি হলে এদূর্ভোগ আরোও কয়েক গুন বেড়ে যায়।
২০০৫ সালে সড়কটি পাকাকরণের পর এ সড়কে আর কোন সংস্কার হয়নি। যে কারণে সিলেট সদর ও বিশ্বনাথ উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের ব্যবহার করা সড়কটির এমন করুণ অবস্থার পরও জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন ছোট-বড় প্রায় কয়েক শতাধিক যানবাহন চালাতে হচ্ছে চালকদের। সড়কটি সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী দাবি জানিয়ে আসলেও তাতে কোন কাজ হচ্ছে না।
ইতিপূর্বে সড়কটি সংকারের দাবিতে এলাকাবাসি সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে একাধিক বার স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন করেছেন। তবুও সড়ক সংস্কারের ব্যাপারে এলাকার জনপ্রতিনিধিরা পালন করছেন নিরব ভ‚মিকায়। যেন এব্যাপারে তাঁদের কোন দায় নেই এতে। শীঘ্রই সড়কটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে এলাকাবাসীর দূর্ভোগ লাগবের করার জন্য সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
মুফতির বাজার বণিক কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রানা বলেন, প্রায় এক যুগ ফেরিয়ে গেলেও এই সড়কে কোন সংস্কার কাজ হয়নি। ফলে দূর্ভোগের মধ্যেই আমাদেরকে চলতে হচ্ছে। ইতিপূর্বে সড়কটি সংস্কারের জন্য এলাকার সাবেক ও বর্তমান এমপি’সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আবেদন জানানো হলেও কোন ফল আসেনি। সড়কের এমন করুণ অবস্থার ফলে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
সিএনজি চালক তজম্মুল আলী বলেন, জীবিকা নির্বাহের জন্য আমাদেরকে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যানবাহন চালাতে হচ্ছে। এতে আমরা শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি আর্থিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আয়ের চেয়ে আমাদের ব্যয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী খোন্দকার গোলাম শওকত বলেন, ইতিমধ্যে সড়কটি ‘আই.আর.আই.ডি.পি-২’র অর্ন্তভ‚ক্ত করা হয়েছে। তবুও সড়কটির এমন করুণ অবস্থার বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করবো।

Share





Related News

Comments are Closed