হত্যার পর ফোনে কাউকে জানিয়েছিলো জঙ্গিরা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হত্যাকাণ্ড হওয়ার পরে বন্দুকধারীদের একজন ঘটনাস্থল থেকে একটি ফোন কল করেছিলেন। তিনি কোনো এক ব্যক্তিকে ফোন কল করে বাংলায় বলেছেন, ‘সবাইকে হত্যা করা শেষ’।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বুধবার বিকেলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
একজন জিম্মির বরাত দিয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, ওই রাতে হত্যাকাণ্ডের পর জঙ্গিদের একজন মোবাইল ফোনে বাইরের কারো সঙ্গে বাংলায় কথা বলেছে। হত্যার খবরও সে বাংলায় দিয়েছে।
সে সময় ওই জঙ্গি দেশে না বিদেশে কথা বলেছে, তা তদন্ত করলে জানা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মনিরুল।
বিদেশি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গুলশানের রেস্টুরেন্টে হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ আটক নেই। তবে ৪ সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত রেজা করিম, শিল্পপতি শাহরিয়ার হোসেন খানের পুত্র তাহমিদ হোসেন খান ও ওই রেস্টুরেন্টের দুই সেফ।’
তিনি আরো বলেন, ‘নিহত জঙ্গিদের মধ্যে ৩ জন তালিকাভুক্ত ছিল। এদের মধ্যে একজন শফিকুল ইসলাম। তিনি উত্তরবঙ্গে দুটি মামলার আসামি। অন্য দুজন নিবরাস ইসলাম ও সামি মোবাশ্বের। এরা দুজনই চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি উত্তরায় দায়ের হওয়া একটি নাশকতা মামলার আসামি।’
১ জুলাই শুক্রবার রাজধানীর কূটনীতিকপাড়া গুলশানের ওই ক্যাফেতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে হানা দেয় একদল তরুণ। হামলার খবর শুনে সেখানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গ্রেনেডে প্রাণ হারায় ডিবির এসি রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ওসি সালাউদ্দিন খান।
এর ১২ ঘণ্টা পর শনিবার সকালে সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরে জানানো হয়, হামলাকারীরা ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করে।
Related News
সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কানাডায় পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভুয়া ভিসা-পাসপোর্ট তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে মানবপাচারেরRead More
জাতীয় জনতা পার্টির জাতীয় কার্যকরী কমিটি গঠিত
বিশেষ সংবাদদাতা: মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবীর জেনারেল মহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় জনতা পার্টিরRead More



Comments are Closed