Main Menu

বরিশালে লঞ্চ-স্টিমার সংঘর্ষে নিহত ৫

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে একটি লঞ্চ ও স্টিমারের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোর ৪টার দিকে কীর্তনখোলার চরবাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলে জানান বরিশাল নৌবন্দরের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবুল কালাম।

তিনি বলেন, সুরভি-৭ নামের লঞ্চটি ঢাকা যাচ্ছিল। আর ঢাকা থেকে প্রায় সাতশ যাত্রী নিয়ে বরিশাল আসছিল স্টিমার পিএস মাহসুদ।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট হতাহত যাত্রীদের উদ্ধার করেছে।

বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল নৌনিরাপত্তা বিভাগ জানায়, গতকাল রোববার রাতে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে আসা সুরভী-৭ লঞ্চটি বরিশাল নৌবন্দরে যাত্রী নামিয়ে আবার ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বরিশাল নৌবন্দর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে কীর্তনখোলা নদীর চরবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা থেকে আসা পিএস মাসুদ নামে একটি স্টিমারের সঙ্গে লঞ্চটির সংঘর্ষ হয়।

এ সময় স্টিমারের ডেকে থাকা একজন যাত্রী নিহত হন। সংঘর্ষে স্টিমারের বাঁ পাশের প্যাডেল (পাখা) ভেঙে কেবিনের মধ্যে ঢুকে যায়। এতে কেবিনে থাকা চারজন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৫ জন যাত্রী। তারা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

দুর্ঘটনার পরপর বিআইডব্লিউটিএ, ফায়ার সার্ভিস, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালান।

বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সুরভী-৭ লঞ্চটি সংকেত না মানার কারণেই স্টিমারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। স্টিমারের প্যাডেল ভেঙে বিকল হয়ে গেছে। চারটি কেবিন বিধ্বস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের নিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। সুরভী লঞ্চের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নিহত যাত্রীদের পরিচয় জানা যায়নি। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed