Main Menu

তাহিরপুরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা


তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: হাওর বেষ্টিত ভাটির জনপদ খ্যাত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ছোট বড় ২০টি হাটে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার।
উপজেলার অন্যতম বাণ্যিজিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাদাঘাট বাজারে রবিবার গিয়ে দেখা যায়, বাজারের বিপনীবিতান থেকে শুরু করে জুতা, কসমেটিক্স, মুদি দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে বাদাঘাট বাজারই সবচেয়ে বড় ও আধুনিক। তাই ৭টি ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক গ্রামের লোকজন এ বাজারেই কেনাকাটা করেন যুগ যুগ ধরে। বাজারের তৈরি পোশাকের দোকান রয়েল ফ্যাশন প্লাস, বিল্লাল গার্মেন্টস, অঙ্গ শোভা ফ্যাশন, আলী গার্মেন্টসে ক্রেতাদের ভীড় ছিল লক্ষনীয়। এ ছাড়া বাজারে শাড়ী, লুঙ্গির দোকান শাহ্ বাদার্স, আজাদ বস্ত্রালয়, বধুয়া, শাড়ী ঘর, মোর্শেদ এন্ড বাদার্স, লাকী, নুর বস্ত্র বিতান, মিরানীয়া বস্ত্রালয় সহ সবগুলি শাড়ী, লুঙ্গির দোকানেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে।
উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা ক্রেতা খলিল মিয়া, হোসাইন আহমদ, আমির আলী, কাজী মিজানুর রহমান, খন্দকার শাহজাহান, সেন্টু মিয়া, রায়হান উদ্দিন রিপন এ প্রতিবেদককে বলেন, উপজেলার অন্যতম বাণ্যিজিক কেন্দ্র এই বাদাঘাট বাজারে যাথায়াত সহ সবধরণের সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তাই প্রতি বছর ঈদের কেনাকাটা এখান থেকেই করি, দাম তুলনামূলক ভাবে অন্য বাজারের চেয়ে এখানে কমই আছে।
বাজারের ব্যবসায়ী হাজী মস্তুফা কামাল, মোশাহিদ শাহ্, রাশিদ ভুইয়া, এমদাদুল হক মিলন, শহিদুল ইসলাম, গার্মেন্টস মালিক বিল্লাল হোসেন, রয়েল আহমদ, কবির ভুইয়া, আলী হোসেন, শাহ্ আলম, ইসহাক মিয়া, আলী হোসেন, কসমেটিক্স মালিক, জাহের মিয়া, আকবর আলী, সু-ষ্টোর মালিক সেলিম রেজা, আলা উদ্দিন, আবু সালাম, মোদি দোকানী আনোয়ার হোসেন, একে নুর, তাবারক হোসেন, মধু মিয়া, হামিদ সিকদার জানিয়েছেন, যদিও এ বছর হাওরের ফসল ডুবি হয়ে কৃষকরা দিশেহারা কিন্তু যাদুকাটা নদী ও এলসি ষ্টেশন গুলিতে কিছুটা কাজ কর্ম হওয়ায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।

 

Share





Related News

Comments are Closed